৭ জানুয়ারি, ১৯১৮ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী তারকা ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার ছিলেন। মিডিয়াম-পেসের ন্যায় ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। প্রায়শঃই নতুন বল নিয়ে বোলিং আক্রমণ পরিচালনায় অগ্রসর করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৯৪০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
১৯৩৮-৩৯ মৌসুম থেকে ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ঘরোয়া আসরের নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতেন। বিশ্বযুদ্ধ শুরুর অল্প কিছুদিন পূর্বে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। এরপর, টেস্টে অংশ নেয়ার পর ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে আর একটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে ১৩ মাসব্যাপী তাঁর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।
১৯৪৭ সালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়ালি হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২১ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্রুন স্মিথ, রয় স্কট, বার্ট সাটক্লিফ, ডন টেলর ও টম বার্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, বৃষ্টির কবলে পড়েছিল ঐ টেস্টটি। ০/৪৬ বোলিং করার পর ব্যাট হাতে নেয়ার সুযোগ পাননি। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।
নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেট পরিবারের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। ১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে মাইকেল স্নেডেনের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটলে চতুর্থ প্রজন্ম হিসেবে উচ্চ স্তরের ক্রিকেটে খেলেন। তাঁর পিতা এএনসি স্নেডেন, ভ্রাতা ডব্লিউএন স্নেডেন, ভ্রাতৃষ্পুত্র এমসি স্নেডেন, কাকা সিএ স্নেডেন – প্রত্যেকেই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২৪ এপ্রিল, ২০১১ তারিখে অকল্যান্ডের টাকাপুনা এলাকায় ৯৩ বছর ১০৭ দিন বয়সে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁর দেহাবসান ঘটে।
