৩০ জানুয়ারি, ১৯১৩ তারিখে জ্যামাইকার সেন্ট অ্যান্স বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৩৪-৩৫ মৌসুম থেকে ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ২০ বছর বয়সে জ্যামাইকার সদস্যরূপে সফররত এমসিসি’র বিপক্ষে খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। এর নয়দিন পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন। চার উইকেট পান। একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলায় ১১৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন।
ডারহাম সিনিয়র লীগের সীহাম ক্রিকেট ক্লাবের অন্যতম তারকা খেলোয়াড় ছিলেন ও চার বছর খেলেন। এ পর্যায়ে দলের শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। মাত্র ৭.৭০ গড়ে ৩৫৬ উইকেট দখল করেন। ফ্রাঙ্ক ফস্টারের সাথে বোলিং উদ্বোধনে নামতেন।
১৯৩৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে নিজ দেশে বব ওয়াটের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৪ মার্চ, ১৯৩৫ তারিখে কিংস্টনের সাবিনা পার্কে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। জর্জ মাডি’র সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। তবে, সুবিধে করতে পারেননি। দলের একমাত্র ইনিংসে মাত্র ১ রান তুলেছিলেন। আট ওভার বোলিং করে উইকেট শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করলেও দল ইনিংস ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। খেলায় তিনি ০/১০ ও ০/২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। তবে, ঐ খেলায় স্বাগতিক দল ইনিংস ও ১৬১ রানের ব্যবধানে জয় পায়। এছাড়াও, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পূর্বে আরও একবার খেলার সুযোগ পান। ১৯৩৫-৩৬ মৌসুমে সফররত ইয়র্কশায়ার একাদশের মুখোমুখি হন। এক দশক পর আরও চারটি খেলায় অংশ নেন। অংশগ্রহণকৃত আটটি প্রথম-শ্রেণীর খেলার সবকটি কিংস্টনে খেলেছিলেন। ৩ মে, ১৯৮৭ তারিখে জ্যামাইকার কিংস্টনে ৭৪ বছর ৯৩ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
