|

জো হান্টার

৩ আগস্ট, ১৮৫৫ তারিখে ইয়র্কশায়ারের স্কারবোরায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিজ এলাকা ইয়র্কশায়ারের পক্ষে উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হতেন। ১৮৭৮ সাল থেকে ১৮৮৮ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ১৮৭৮ সালে ইয়র্কশায়ারের পক্ষে অভিষেকের পর থেকেই সম্মুখসারির উইকেট-রক্ষক হিসেবে চিত্রিত হন। তবে, সমসাময়িক কয়েকজন খেলোয়াড় তাঁর চেয়ে এগিয়েছিলেন।

সব মিলিয়ে পাঁচ টেস্টে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৮৪-৮৫ মৌসুমে আর্থার শ্রিউসবারি’র নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া সফরে ঐ পাঁচ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। বেশ দৃঢ়স্থিরচিত্তে উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় টেস্টে জনি ব্রিগসের সাথে শেষ উইকেট জুটিতে ৯৮ রান তুলেছিলেন। সিরিজের তুমুল লড়াইয়ে অবশ্য সফরকারীরাই জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছিল।

১২ ডিসেম্বর, ১৮৮৪ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। জনি ব্রিগস, ববি পিল, উইলিয়াম অ্যাটওয়েল ও উইল্ফ ফ্লাওয়ারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে একটি স্ট্যাম্পিং ও দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে পরাজিত হলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৮৮৪-৮৫ মৌসুমে আর্থার শ্রিউসবারির নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ২১ মার্চ, ১৮৮৫ তারিখে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে দুইটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হয়েছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংসে ও ৯৮ রানে পরাভূত হলে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

১৮৮৮ সালে প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে বাদ পড়েন ও সহোদর ডেভিড ইয়র্কশায়ার একাদশে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। দূর্বল স্বাস্থ্যের কারণে খেলোয়াড়ী জীবন স্বল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ৪ জানুয়ারি, ১৮৯১ তারিখে ইয়র্কশায়ারের রদারহাম এলাকায় মাত্র ৩৫ বছর ২৫৪ দিন বয়সে অকালে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    জো পারট্রিজ

    ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২ তারিখে রোডেশিয়ার বুলাওয়ে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ্বে অন্যতম সেরা সুইং বোলার ছিলেন। সুদর্শন ও শক্ত-মজবুত গড়নের অধিকারী ছিলেন। খেলায় বেশ প্রতিদ্বন্দ্বীসুলভ মনোভাব নিয়ে খেলতেন। নিখুঁততা, অসম্ভব…

  • | | |

    জাভেদ বার্কি

    ৮ মে, ১৯৩৮ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের উত্তরপ্রদেশের মিরাট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৬০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫৫-৫৬ মৌসুম থেকে ১৯৭৪-৭৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন।…

  • |

    ফ্রেড মর্লে

    ১৬ ডিসেম্বর, ১৮৫০ তারিখে নটিংহ্যামশায়ারের সাটন-ইন-অ্যাশফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবেই দলে সমধিক ভূমিকা পালন করতেন। বামহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। জন্ম নিবন্ধন সনদে তিনি ‘ফ্রেডরিক মর্লে’ নামে পরিচিতি পান। ছোটখাটো ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতা ও পৌনে এগারো স্টোন (৬৬ কেজি)…

  • |

    ওয়াজাহাতুল্লাহ ওয়াস্তি

    ১১ নভেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পেশাওয়ার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুম থেকে ২০০৯-১০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে অ্যালাইড ব্যাংক, পেশাওয়ার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন…

  • |

    বেন সিলি

    ১২ আগস্ট, ১৮৯৯ তারিখে ত্রিনিদাদের সেন্ট যোসেফ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আক্রমণাত্মক ধাঁচে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি সীমানা এলাকায় ফিল্ডিং করতেন। ১৯২৩-২৪ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন।…

  • |

    রাসেল এনডিন

    ৩১ মে, ১৯২৪ তারিখে ট্রান্সভালের পার্কভিউ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সাউথ আফ্রিকা সিক্সথ আর্মার্ড ডিভিশনে থেকে মিশর ও ইতালিতে দায়িত্ব পালন করেন। পঞ্চাশের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছিলেন। ১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে…