৩ অক্টোবর, ১৯০৫ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করতেন। উইকেট-রক্ষণে অগ্রসর হবার পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।
ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২৮-২৯ মৌসুম থেকে ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। চটপটে উইকেট-রক্ষক ও চমৎকার ব্যাটসম্যান হিসেবে ত্রিনিদাদের পক্ষে ব্যাটিং উদ্বোধন করতেন।
১৯৩০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৩০-৩১ মৌসুমে সম্মানীয় এফ. এস. জি. ক্যালথর্পের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১১ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ব্রিজটাউনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। এডউইন সেন্ট হিল, ফ্রাঙ্ক ডি কেয়ার্স, জর্জ হ্যাডলি, ডেরেক সিলি ও লেসলি ওয়ালকটের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এ পর্যায়ে তিনি এগারো নম্বর অবস্থানে মাঠে নেমে অপরাজিত ১০ ও ১ রান তুলতে সমর্থ হয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। নিজ শহরে দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম উইকেট পতনের পর ৫৮ ও ৩০ রান তুলেন।
২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে জর্জটাউনে নিজের সেরা টেস্ট খেলেন। প্রথম উইকেটে ক্লিফোর্ড রোচের সাথে ১৪৪ রানের জুটি গড়েন। তিনি ৫৩ রান তুলেন। কমপক্ষে চারবার পরাস্ত হয়েছিলেন। এমসিসি’র ফিল্ডিং ‘অমার্জনীয়’ ছিল। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৩০-৩১ মৌসুমে জ্যাকি গ্র্যান্টের নেতৃত্বাধীন দলের সাথে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। তবে, এ সফরে কোন টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি। ইভান ব্যারোকে অগ্রাধিকার দেয়া হলে তিনি দলের মূল উইকেট-রক্ষকের মর্যাদা হারান।
২৬ জুন, ১৯৬৭ তারিখে ত্রিনিদাদের পোর্ট অব স্পেনে ৬১ বছর ২৬৬ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
