|

মার্টিন গাপটিল

৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, মাঝে-মধ্যে ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

ট্রাক দূর্ঘটনায় পায়ের তিনটি আঙ্গুল হারালে দলীয় সঙ্গীরা মজা করে তাঁকে ‘টু টোজ’ নামে ডাকতো। তবে, দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ চিত্তে ঐ দূর্ঘটনা থেকে নিজেকে সামলে নেন। এ দূর্ঘটনা তাঁর সহজাত প্রতিভাকে আটকাতে পারেনি। এক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পান। এক পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের অন্যতম সেরা ফিল্ডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বিস্ময়করভাবে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বল মোকাবেলায় সক্ষম। খাঁটো আকৃতির বাহুতে লেগের দিকে সহজাত ভঙ্গীমায় স্ট্রোক খেলে থাকেন। তাঁর প্রতিভার বিষয়টি প্রশ্নাতীত। তবে, ২০১০-এর মাঝামাঝি সময় ব্যাপক ছন্দপতন ঘটলে দল থেকে বাদ পড়ার দিকে চলে যেতে থাকেন। এরপর অবশ্য নিজেকে সামলে নিয়ে কিউই ক্রিকেট অঙ্গনকে সমৃদ্ধতর করেছেন।

৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। ২০০৬ সাল থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রেখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বার্বাডোস ট্রাইডেন্টস, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস, করাচী কিংস, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পক্ষে খেলেছেন। ১৯ মার্চ, ২০০৬ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অকল্যান্ড বনাম ওয়েলিংটনের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ওয়েলিংটনের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৯ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন তিনি।

২০০৬ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় নিউজিল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। তবে, বয়সের সাথে সাথে নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। ২০০৭-০৮ মৌসুমে ঘরোয়া আসরসহ অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এমার্জিং প্লেয়ার্স টুর্নামেন্টে ব্যাপক রানের সন্ধান পান। এ সাফল্যের কারণে নিউজিল্যান্ডের ‘এ’ দলের সদস্যরূপে যুক্ত করা হয়।

২০০৯ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৪৭ টেস্ট, ১৯৮টি ওডিআই ও ১২২টি টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। ১০ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত ক্যারিবীয় দলের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক ওডিআইয়ে ১২২ রানের মনোরম শতক হাঁকান। এরফলে, নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শতরান করার গৌরব অর্জন করেন। এ শতকের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর আবির্ভাবের কথা ঘোষণা করেন।

দুই মাস পর ২০০৮-০৯ মৌসুমে নিজ দেশে এমএস ধোনি’র নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ৮ মার্চ, ২০০৯ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ১৪ ও ৪৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, শচীন তেন্ডুলকরের অসামান্য ব্যাটিং দৃঢ়তায় সফরকারীরা ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০০৯-১০ মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ ইউসুফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১১ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে নেপিয়ারে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ৩/৩৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, তিনটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলীর কল্যাণে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে অমিমাংসিত অবস্থায় সিরিজটি শেষ হয়।

একই মৌসুমে নিজ দেশে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন সফরকারী বাংলাদেশী দলের মুখোমুখি হন। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। বেশ কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৬০ রানে পৌঁছানোকালে পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতকের সন্ধান পান। এছাড়াও, ১৭১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৮৯ ও ৫৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ১২১ রানে পরাজিত হয়েছিল। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় আট খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। বিশ্বকাপের পর দূর্দান্ত ছন্দে অবস্থানের পর ২০১৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে টেস্ট দলে তাঁকে ঠাঁই দেয়া হয়। ইংল্যান্ড গমনার্থে ব্ল্যাক ক্যাপসের সাথে যুক্ত হন। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীর স্বাক্ষর রাখেন। শুরুটা ধীরলয়ে করেন। এ প্রতিযোগিতায় তিনবার শূন্য রানে বিদেয় নেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে শতক (১০৫) হাঁকান। এরপর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তা দ্বিগুণ (২৩৭*) করেন। এ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক রান সংগ্রাহকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এছাড়াও, প্রতিযোগিতায় সর্বাধিকসংখ্যক চারের মার মারেন।

২০১১-১২ মৌসুমে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টেস্ট ক্রিকেট খেলেন। এ মৌসুমে রস টেলরের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে গমন করেন। ১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৫৬ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১০৯ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/২ ও ১/২৮ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র অসাধারণ অল-রাউন্ড সাফল্যে স্বাগতিকরা ৩৪ রানে পরাজয়বরণ করে।

২০১২-১৩ মৌসুমে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ভার্নন ফিল্যান্ডারের বোলিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ২৭ রানে পরাজয়বরণ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলেন। ঐ বছর ব্রেন্ডন ম্যাককালামের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে ইংল্যান্ড সফরে যান। ২৪ মে, ২০১৩ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ব্যাট হাতে নিয়ে ১ ও ৩ রান সংগ্রহ করে উভয় ইনিংসে গ্রায়েম সোয়ানের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। এছাড়াও, ০/৪১ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। গ্রায়েম সোয়ানের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যে সফরকারীরা ২৪৭ রানে পরাজিত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০১৫-১৬ মৌসুমে নিজ দেশে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের নেতৃত্বাধীন শ্রীলঙ্কান দলের মুখোমুখি হন। ১০ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে ডুনেডিনে অনুষ্ঠিত সফররত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় অসাধারণ ক্রীড়ানৈপুণ্যের স্বাক্ষর রাখেন। ১৫৫ ও ৪৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তাঁর দূর্দান্ত ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ১২২ রানে জয় পেয়ে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভ করেন।

২০১৬-১৭ মৌসুমে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত সফরে যান। ৮ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে ইন্দোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের ছাঁপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ১৫ রানে পৌঁছানোকালে ২৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৭২ ও ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৩২১ রানে জয় পেলে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২০১১-১২ মৌসুমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে অনবদ্য ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১১ সালে স্যার রিচার্ড হ্যাডলি পদক লাভ করেন।

পিটার গাপটিল ও জেন হেন্ডারসন দম্পতির সন্তান। রেউইন থমাস নাম্নী এক বোন রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। লরা ম্যাকগোল্ডরিক নাম্নী বেতার উপস্থাপক ও স্কাই স্পোর্টসের খণ্ডকালীন সাংবাদিকের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। এ দম্পতির হার্লি লুইস গাপটিল নাম্নী কন্যা রয়েছে।

Similar Posts

  • | |

    দীপক প্যাটেল

    ২৫ অক্টোবর, ১৯৫৮ তারিখে কেনিয়ার নাইরোবিতে জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও কোচ। দলে মূলতঃ মাঝারিসারির ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ারের…

  • | |

    আসিফ মুজতবা

    ৪ নভেম্বর, ১৯৬৭ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন তেমন দর্শনীয় ছিল না। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ২০০৬-০৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    গুফি লরেন্স

    ৩১ মার্চ, ১৯৩২ তারিখে রোডেশিয়ার সলসবারিতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিং করতেন। ১৯৬০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘ ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন ও তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে দীর্ঘতম খেলোয়াড়ের মর্যাদাপ্রাপ্ত ছিলেন। সহজাত দক্ষতাকে পাশ কাটিয়ে প্রচণ্ড…

  • | |

    ওয়েন ডানেল

    ১৫ জুলাই, ১৮৫৬ তারিখে কেপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৮৮০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন ও দক্ষিণ আফ্রিকা দলের প্রথম অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এটন কলেজে অধ্যয়ন শেষে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো সম্পন্ন করেন। ক্রিকেটে অংশ না নিলেও…

  • | | | |

    বান্দুলা বর্ণাপুরা

    ১ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে রাম্বুক্কানায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, কার্যকর মিডিয়াম-পেস বোলার ছিলেন। শ্রীলঙ্কা দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুম থেকে ১৯৮২-৮৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮২ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে চারটিমাত্র টেস্ট ও ১২টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ইংল্যান্ডে…

  • | | |

    টনি হাওয়ার্ড

    ২৭ আগস্ট, ১৯৪৬ তারিখে বার্বাডোসের লোয়ার কলিমোর রক এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৭০-এর দশকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। বেশ মজবুত আকৃতি ও ছোটখাটো গড়নের অধিকারী। স্পার্টান ক্রিকেট ক্লাবের মাধ্যমে ক্রিকেট খেলায় সূত্রপাত ঘটান। ঘরোয়া আসরের…