২৫ জুন, ১৯৬৭ তারিখে কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৮০-এর দশকে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কলম্বো ক্রিকেট ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে অনূর্ধ্ব-২৩ দলে প্রতিনিধিত্ব করে খ্যাতির শিখরে পৌঁছেন। ১৭ বছর ৩৪২ দিন বয়সে সর্বকনিষ্ঠ শ্রীলঙ্কান হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র থেকে টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে পরিবর্তনকালটি তাঁর জন্যে বেশ সঙ্কটময় মুহূর্ত ছিল।
১৯৮৫ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে শ্রীলঙ্কার পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। উভয় টেস্টই ভারতের বিপক্ষে খেলেছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে নিজ দেশে কপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে ক্যান্ডিতে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। অভিষেককালীন শ্রীলঙ্কার চতুর্থ কনিষ্ঠ ক্রিকেটারের সম্মাননাপ্রাপ্ত হন। ০/২৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এ খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।
অংশগ্রহণকৃত টেস্টগুলোর চারটি ইনিংসের তিনটিতে শূন্য রান ও অপরটিতে একটিমাত্র রানের সন্ধান পেয়েছিলেন। এছাড়াও, অভিষেকে খুব কমই বোলিং করার সুযোগ লাভ করেছিলেন। মাত্র চার ওভার বোলিং করেছিলেন। নিজস্ব দ্বিতীয় ও সর্বশেষ টেস্টে অফ-স্পিন বোলিং করে ২১ ওভারে ১/৬৯ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে নাগপুরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে দিলীপ মেন্ডিসের নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। উভয় ইনিংসে শূন্য রানে বিদেয় নিয়েছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, দিলীপ বেঙ্গসরকার ও মনিন্দার সিংয়ের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলীতে স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১০৬ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
সহজাত অল-রাউন্ডার ছিলেন। তবে, দুই টেস্ট পরই তাঁকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়। এ পর্যায়ে তিনি দল নির্বাচকমণ্ডলীর কাছ থেকে খুব কমই সহানুভূতি কিংবা বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছিলেন। সাধারণ মানদণ্ডের চেয়েও তাঁর অবদান দৃষ্টিগোচর হয়। কিন্তু, তাঁর বয়সকে বিবেচনায় আনা হয়নি। কিছু দিক-নির্দেশনা ও সময় দিলে হয়তোবা নিজেকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অল-রাউন্ডারে রূপান্তরিত করতে পারতেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে প্রত্যাখ্যাত হবার পর গ্রেড ক্রিকেটে অংশ নিতে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া চলে যান।
