২৭ জানুয়ারি, ১৯১১ তারিখে ডার্বিশায়ারের টিবশেল্ফ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ বোলিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৪০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
বোলার হিসেবে তিনি বলকে উভয়দিক দিয়েই ঘুরাতে পারতেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ডার্বিশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ডার্বিশায়ারের পক্ষে ১৬৯ খেলায় অংশ নিয়েছেন। দৃশ্যতঃ কাউন্টিতে পেশাদার খেলোয়াড়দের প্রতিচিত্র হিসেবে অনড়, রুক্ষ ও অবমূল্যায়িত ছিলেন। ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৮ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ১৯৩৬ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নশীপে আঘাতের কারণে প্রায় পুরোটা সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। তবে, বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পূর্বে ব্যাটসম্যান ও বোলার হিসেবে নিজের উত্তরণ ঘটিয়েছিলেন। টেস্টে অংশগ্রহণের প্রায় কাছাকাছি পর্যায়ে চলে এসেছিলেন। ১৯৩৮ সালে ট্রেন্ট ব্রিজ টেস্ট দলে ছিলেন। এছাড়াও, ১৯৩৯-৪০ মৌসুমে পরিত্যক্ত ঘোষিত ভারত সফরে দলের সদস্য ছিলেন। লীগ ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় ইংল্যান্ড দলে অনুপস্থিত ছিলেন।
১৯৪৭ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালে নিজ দেশে অ্যালান মেলভিলের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ২১ জুন, ১৯৪৭ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৪৯ ও ০/৩৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৮* রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
১৯৪৮ সালে পোর্টসমাউথে ২০৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তবে, স্ত্রীর স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় খেলা থেকে অবসর গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এরপর, লীগ ক্রিকেটে ফিরে আসেন। সব মিলিয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে ১৯.৯২ গড়ে ৬৭৭ উইকেট পেয়েছেন। এছাড়াও, ব্যাটসম্যান হিসেবে ২৮.০৫ গড়ে রান পেয়েছেন।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর আম্পায়ারিংয়ের দিকে ধাবিত হন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৪ সময়কালে নয়টি প্রথম-শ্রেণীর ও ৫৬টি লিস্ট-এ খেলা পরিচালনা করেছেন।
২৯ অক্টোবর, ১৯৯৩ তারিখে ডার্বিশায়ারের স্পাইটাল এলাকায় ৮২ বছর ২৮৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
