২৫ জুন, ১৯৬৪ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সেন্ট ইভস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং কর্মে মনোনিবেশ ঘটাতেন। ১৯৯০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
‘ফিল্থি’, ‘স্লিঙ্ক’ কিংবা ‘ফ্যাটি’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে দূর্দান্ত খেলতেন। প্রায়শঃই দলের আপদকালীন নিচেরসারিতে নেমে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সরব ছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিউ সাউথ ওয়েলসের অন্যতম নির্ভরযোগ্য উইকেট-রক্ষক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। দলটির পক্ষে ৩৮৪টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। এছাড়াও, একটি শতক ও সতেরোটি অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেছেন। ১৯৯৩-৯৪ সালে নিয়মিত অধিনায়ক মার্ক টেলরের অনুপস্থিতিতে দলের ৪২তম শেফিল্ড শীল্ডের শিরোপা বিজয়ে নেতৃত্ব দেন।
১৯৯৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও সমসংখ্যক ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। উভয়টিই পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেছেন। অনেকটা আকস্মিকভাবে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে ভাঙ্গা বৃদ্ধাঙ্গুল নিয়ে মার্ক টেলরের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে পাকিস্তান সফরে যাবার সুযোগ পান। ইয়ান হিলি’র সহকারী হিসেবে দলে যুক্ত হয়েছিলেন। ইয়ান হিলি আঘাতের কবলে পড়লে তিনি দলে খেলেন। ৩০ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
এর একদিন পর ১ নভেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। প্রথম ইনিংসে নাইটওয়াচম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ৮ রানে রিটায়ার হার্ট হন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচটি ডিসমিসাল ঘটিয়েছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
সমসাময়িক ইয়ান হিলি’র দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলীর কারণে তাঁকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জগতে প্রবেশে বাঁধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৯৯ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট জগৎকে বিদেয় জানান। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ধারাভাষ্যকর্মে সাথে জড়িয়ে পড়েন। মার্ক টেলর, জন ডাইসন, মাইক হুইটনি ও জিওফ লসনের সাথে আলোচনায় যোগ দেন। ২৮ জুলাই, ২০২০ তারিখে গৃহহীনদের আর্থিক সহায়তাকল্পে ‘স্পোর্ট স্টার্স স্লিপআউট’ প্রচারণায় মিচেল স্টার্ক ও অ্যালিসা হিলি’র ন্যায় খেলোয়াড়দের সাথে অংশগ্রহণ করেন।
