| |

শাহরিয়ার নাফিস

১ মে, ১৯৮৫ তারিখে ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। বাংলাদেশের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়াও, বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের মাঝে অসাধারণতার পরিচয় দিয়েছেন। মানসম্পন্ন ব্যাটসম্যানের সন্ধানে ব্যস্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটে আদর্শ প্রতীক হিসেবে তিনি নিজেকে উপস্থাপিত করেছিলেন। স্বল্প সময়ের জন্যে টাইগারদের সর্বাপেক্ষা ধারাবাহিক খেলোয়াড় হিসেবে নিজের পরিচিতি ঘটান। তবে, দলকে সম্মুখের দিকে নিয়ে যেতে পারেননি। দলের ক্রান্তিকালে যুক্ত ছিলেন। শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে ইনিংস উদ্বোধনে নামলেও মাঝে-মধ্যে মাঝারিসারিতে খেলতেন।

২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে ২০১৯-২০ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর বাংলাদেশী ক্রিকেটে বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, বরিশাল বার্নার্স, ঢাকা ওয়ারিয়র্স ও খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলসের পক্ষে খেলেছেন। ১২ মার্চ, ২০০৪ তারিখে ফতুল্লায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ বনাম জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের মধ্যকার খেলায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটান।

২০১২ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ছয়-দল নিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের যাত্রা শুরু করেন। প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে তিনি অংশ নিয়েছিলেন। উদ্বোধনী আসরে বরিশাল বার্নার্সের প্রতীকি খেলোয়াড় ছিলেন। ৫ খেলায় অংশ নিয়ে মাত্র ৩৮ রান তুলেন। দ্বিতীয় আসরে খুলনা রয়্যালসে অধিনায়ক হিসেবে যোগ দেন। দলের সদস্যরূপে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। এরফলে, প্রথম বাংলাদেশী খেলোয়াড় হিসেবে বিপিএলে শতরানের ইনিংস খেলার গৌরব অর্জন করেন।

২০০৫ থেকে ২০১৩ সময়কালে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বমোট ২৪ টেস্ট, ৭৫টি ওডিআই ও একটিমাত্র টি২০আইয়ে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রথম ও কনিষ্ঠ টি২০আই অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে বাংলাদেশ দলের প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত হন। তবে, মাত্র পাঁচটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ঐ খেলাগুলোয় সাহসী ভূমিকা রাখেন। ৩৫ গড়ে ৩৫০ রান তুলেছিলেন। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ রিচার্ড ম্যাকইনেস প্রতিভাবান ও ফুরফুরে মেজাজের ভবিষ্যৎ টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন।

নাফিস ইকবাল ও জাভেদ ওমর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেললে ইংল্যান্ড সফরে মাঠের বাইরে অবস্থান করে খেলা দেখেন ও অভিজ্ঞতাপুষ্ট হন। তবে, ন্যাটওয়েস্ট সিরিজের একটি খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ক্যান্টারবারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ খেলায় ৭৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস উপহার দেন। ২১ জুন, ২০০৫ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রবেশ করেন।

২০০৫-০৬ মৌসুমে হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দলের সাথে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৫ তারিখে কলম্বোর আরপিএসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে সৈয়দ রাসেলের সাথে তাঁর একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৩ ও ১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ঐ টেস্টে তাঁর দল ইনিংস ও ৯৬ রানে পরাজয়বরণ করেছিল।

একই সফরের ২০ সেপ্টেম্বর, ২০০৫ তারিখে কলম্বোর পিএসএসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫১ রান তুলেন। ঐ টেস্টেও স্বাগতিক দল ইনিংস ও ৬৯ রানে জয়লাভ করে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে জয়লাভ করে। এছাড়াও, একদিনের খেলাগুলোয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে, কোনটিতেই অর্ধ-শতরানের সন্ধান পাননি।

এরপর, এপ্রিল, ২০০৬ সালে ফতুল্লায় শক্তিধর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। স্ট্রোকের ফুলঝুড়ি ছুটিয়ে চমকপ্রদ শতক হাঁকান। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজস্ব প্রথমসহ টেস্টে প্রথম শতরানের ঐ ইনিংসে ১৯টি চারের মারে ১৩৮ রান তুলে প্রথম দিনেই দলের সংগ্রহকে ৩৫৫/৫-এ নিয়ে যান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩ ও দ্বিতীয় টেস্টে ৭৯ রান তুলে নিজের সক্ষমতার কথা জানান দেন। নিজ দেশে ভারতের বিপক্ষে সিরিজে খেলার উদ্দেশ্যে তাঁকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়। দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের একটিতে অংশ নিয়ে ২৫ রান তুলেন।

হাবিবুল বাশারের পরিবর্তে সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী হিসেবে অক্টোবর, ২০০৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় সহঃঅধিনায়কের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। এছাড়াও, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন। এ বছরেই এক পঞ্জিকাবর্ষে ওডিআইয়ে সহস্র রান সংগ্রহের মাইলফলক স্পর্শে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। আইসিসি বর্ষসেরা তরুণ ক্রিকেটার পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন। আগস্ট, ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শতরান করলেও ঐ প্রতিযোগিতায় অন্যান্য দলের বিপক্ষে তেমন সুবিধে করতে পারেননি। এরফলে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে শতক হাঁকানোর গৌরব অর্জন করেন। ডিসেম্বর, ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ৫-০ ব্যবধানের সিরিজ বিজয়ে অন্যতম নিয়ামক শক্তিরূপে কাজ করেছিলেন। তবে, পরের বছরেই দূর্বলমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন।

জুন, ২০০৮ সালে অনুমোদনবিহীন আইসিএলে ঢাকা ওয়ারিয়র্সের সাথে যুক্ত হন। এরফলে, বিসিবি কর্তৃক ১০-বছরের নিষেধাজ্ঞার কবলে পরেন। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের মানসে পরের বছর সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সালে ঐ লীগের সাথে চুক্তি ছিন্ন করেন। জানুয়ারি, ২০১০ সালে নিজ দেশে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে দলে আমন্ত্রিত হন। আইসিএলে যুক্ত হবার পূর্বে এমবিএ শিক্ষা সমাপণের উদ্দেশ্যে মনোযোগী হতে অস্ট্রেলিয়া গমন করা থেকে বিরত ছিলেন।

বিসিবি কর্তৃক ক্ষমাশীলতা লাভের পর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে মনোনয়ন লাভ করেন। তবে, তেমন ভূমিকা রাখতে পারেননি। অক্টোবর, ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার পূর্বে তামিম ইকবালের আঘাতের কারণে দলে ঠাঁই পান। ৩৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশের বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। সিরিজের দ্বিতীয় ওডিআইয়ে ৭৩ রান করেন।

২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের সদস্য ছিলেন। ঐ প্রতিযোগিতায় তিনি মাত্র দুই খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। এর পরপরই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি ওডিআইয়ে অংশ নেন। দুইটি অর্ধ-শতক হাঁকিয়ে দলে স্বীয় স্থান পাকাপোক্ত করেন। আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেন। অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৮২ রানের ইনিংস খেলেন। বছরের শেষদিকে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ৯৭ রান সংগ্রহ করেন। তাসত্ত্বেও, ২০১২ সালের জন্যে বিসিবি কর্তৃক কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চুক্তিতে ঠাঁই পাননি।

২০১৩ সালে মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশী দলের সদস্যরূপে জিম্বাবুয়ে সফরে যান। ১৭ এপ্রিল, ২০১৩ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ২৯ ও ১১ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই কাইল জার্ভিসের শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। প্রতিপক্ষীয় অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেলরের জোড়া শতকে ঐ টেস্টে বাংলাদেশ দল পরাজিত হয় ও তিনি দল থেকে বাদ পড়েন। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। বিসিবিতে অংশগ্রহণকল্পে ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে একত্রে অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন।

Similar Posts

  • | |

    কেনিয়া জয়ন্তীলাল

    ১৩ জানুয়ারি, ১৯৪৮ তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৭০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুম থেকে ১৯৭৮-৭৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে হায়দ্রাবাদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৬৭-৬৮ মৌসুমে…

  • |

    টিচ কর্নফোর্ড

    ২৫ ডিসেম্বর, ১৯০০ তারিখে সাসেক্সের হার্স্ট গ্রীন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। উইকেটের পিছনে অবস্থান সকল ধরনের বোলিং সামলাতেন। অন্তরঙ্গ বন্ধু এম. ডব্লিউ. টেটের ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং ও এ. ই. আর. জিলিগানের বল থেকে স্ট্যাম্পিং করে তাঁদেরকে অনেকগুলো উইকেট লাভে পরোক্ষ…

  • | |

    ড্যারেন লেহম্যান

    ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার গলার এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘বুফ’ ডাকনামে ভূষিত ড্যারেন লেহম্যান ১.৭৬ মিটার উচ্চতার অধিকারী। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম থেকে ২০০৭-০৮ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন সরব রেখেছিলেন। ঘরোয়া…

  • | |

    জো ডার্লিং

    ২১ নভেম্বর, ১৮৭০ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন অসমন্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ব্যবসায়ী জন ডার্লিং ও ইসাবেলা দম্পতির ষষ্ঠ পুত্র ছিলেন। ১৮৮৩ থেকে ১৮৮৪ সাল পর্যন্ত মেলবোর্নভিত্তিক স্কচ কলেজে অধ্যয়ন করেন। এরপর, অ্যাডিলেডভিত্তিক প্রিন্স আলফ্রেড…

  • | |

    রবিন সিং, ১৯৬৩

    ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৩ তারিখে ত্রিনিদাদের প্রিন্সেস টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে অল-রাউন্ডার হিসেবে ভারত দলে খেলেছেন। ১৯৯০-এর দশকে ওডিআইয়ে একাধিপত্য বজায় রেখেছিলেন। সচরাচর মাঝারিসারিতে ব্যাট হাতে মাঠে নামতেন…

  • |

    অন্তাও ডি’সুজা

    ১৭ জানুয়ারি, ১৯৩৯ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গোয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা অফ-ব্রেক বোলিং করতেন। পাশাপাশি, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। পাকিস্তানের ক্রিকেটের ইতিহাসের শুরুরদিকের অন্যতম ফাস্ট বোলার। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুম থেকে ১৯৬৬-৬৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…