২৯ ডিসেম্বর, ১৯৪৪ তারিখে নর্থল্যান্ডের হোয়াঙ্গারেই এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং কর্মে অগ্রসর হতেন ও স্ট্রোকের ফুলঝুঁড়ি ছোটাতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাশাপাশি, দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। ১৯৭০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।
দীর্ঘদেহী ও আক্রমণাত্মক ধাঁচের অধিকারী ব্যাটসম্যান হিসেবে সামনের পায়ে ভর রেখে খেলতেন। ১৯৬৩-৬৪ মৌসুম থেকে ১৯৭৫-৭৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭৬ সালে অবসর গ্রহণের পূর্ব-পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলতে থাকেন।
১৯৭৩ সালে ২৮ বছর বয়সে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে একটিমাত্র টেস্ট ও দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে নিজ দেশে ইন্তিখাব আলমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখে অকল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্তে টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে নিজস্ব প্রথম শতরানের ইনিংস খেলেন। নিজস্ব প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে শতক ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানের অর্ধ-শতক হাঁকিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানের মনোজ্ঞ ইনিংস উপহার দেন ও ২০টি চারের মার মারেন। এ পর্যায়ে মজিদ খানের উপর্যুপরী পাঁচ বল থেকে বাউন্ডারি মেরেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়াসিম রাজা’র বলে বিদেয় নেন। অবশ্য ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হলেও সফরকারীরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।
ফলশ্রুতিতে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৯৭৩ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে তাঁকে নিউজিল্যান্ড দলে রাখা হয়। কিন্তু, চশমার সমস্যার কারণে ওডিআই সিরিজে ভালো করেননি ও পরবর্তীতে টেস্ট থেকে বাদ দেয়া হয়। এ সফরে ২৮.৪১ গড়ে ৪৮৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে খেলতে পারেননি। এরপর, আর তাঁকে কোন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিতে দেখা যায়নি।
ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পার্থে বসবাস করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তিনি। তাঁর সন্তান আরন রেডমন্ড নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হয় ও পরবর্তীতে জাতীয় দলের সদস্যরূপে খেলেছে।
