১৯ অক্টোবর, ১৮৬৯ তারিখে গ্লুচেস্টারশায়ারের ব্রেন্ট্রি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও আম্পায়ার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। ১৮৯০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
মাইনর কাউন্টিজ ক্রিকেটে উইল্টশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে অংশ নিয়েছেন। ১৯২০ সাল পর্যন্ত দলটির অধিনায়কত্ব করেছেন। ১৮৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। টেস্টের বাইরে চারবার এমসিসি’র প্রতিনিধিত্ব করে ১৫ গড়ে রান পেয়েছেন।
১৮৯৬ সালে সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডের পক্ষে মাত্র একটি টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৯৫-৯৬ মৌসুমে লর্ড হকের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের সাথে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৬ তারিখে কিবিজায় স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাঁর টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ঐ খেলায় একটিমাত্র উইকেট ও ২৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ১০ নম্বরে নেমে ৪ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ নম্বর অবস্থানে ২০ রান তুলেছিলেন। কোন বোলিং করেননি। তবে, জর্জ লোহমানের ৭/৩৮ ও ৮/৭ বোলিংয়ের কারণে ইংল্যান্ড দল ২৮৮ রানে জয় পায়। সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেয়ার মাধ্যমে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবনের যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে অবশ্য ঐ খেলাটিকে টেস্টের মর্যাদা দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।
ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পূর্বেই আম্পায়ারিংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। দুইটি টেস্ট খেলা পরিচালনা করেছিলেন। ১৮৯৫-৯৬ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্টে আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন। ২৬ জুন, ১৯৫৯ তারিখে ব্রিস্টলের ক্লিফটন এলাকায় ৮৯ বছর ২৫০ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। মৃত্যু নিবন্ধনে তাঁকে ‘অডলি মন্টাগু মিলার’ নামে পরিচিতি ঘটানো হয়েছিল। তাঁর ভ্রাতৃষ্পুত্র টমাস মিলার গ্লুচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছে।
