| |

নিরোদ চৌধুরী

১৪ মে, ১৯২৩ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বিহারের জামশেদপুরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

শৈশবকাল থেকেই সর্বক্রীড়ায় তাঁর প্রতিশ্রুতিশীলতা লক্ষ্য করা যায়। ক্রিকেট, ফুটবল ও উচ্চ লম্ফে বেশ দক্ষ ছিলেন। মোহনবাগানের পক্ষে ফুটবল খেলায় অংশ নিয়েছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। ১৯৪১-৪২ মৌসুম থেকে ১৯৫৮-৫৯ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে বিহার ও বাংলার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুটা তাঁর অসাধারণ ছিল। বিহারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৮ বছর বয়সে অভিষেক ঘটে। ১৯৪১-৪২ মৌসুমে কিনান স্টেডিয়ামে ৭/৪৯ ও ৪/৮৬ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। ৭/৪৯ বোলিং পরিসংখ্যানই তাঁর ব্যক্তিগত সেরা সাফল্য ছিল। এছাড়াও, খেলায় ১৬৫ রান খরচায় ১১ উইকেট দখলও তাঁর সেরা ছিল। এরপর, ১৯৪২-৪৩ মৌসুমে ইডেন গার্ডেন্সে ৭/১০০ ও ২/১৬ এবং ১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে একই মাঠে ৬/৭৫ ও ৪/৫২ বোলিং করেন। প্রথম চার খেলা থেকে দুইবার দশ-উইকেটসহ ১৩.০৮ গড়ে ৩৮ উইকেট পেয়েছেন।

পরবর্তী মৌসুমে বাংলা দলে চলে যান। তবে, প্রথম খেলায় তেমন সফলতার সন্ধান পাননি। ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত পরের খেলায় নিজেকে মেলে ধরতে সচেষ্ট হন। ইউনাইটেড প্রভিন্সের বিপক্ষে ৩/৪০ ও ৫/৪৯ পান। উইকেটের অপর প্রান্তে থাকা মন্টু সেন, পল ক্যারি ও কমল ভট্টাচার্য্য তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিলে বাংলা দল ঐ খেলায় জয় পায়। পরের খেলায় ডেনিস কম্পটন, রেগ সিম্পসন ও জো হার্ডস্টাফ জুনিয়রসমৃদ্ধ সার্ভিসেস একাদশের বিপক্ষে বেঙ্গল গভর্নর একাদশের সদস্যরূপে খেলার সুযোগ পান। একবারমাত্র বোলিং করার সুযোগ পেয়ে ৫/১০৪ পান।

পাঁচ খেলা শেষে নয় ইনিংস থেকে পাঁচবার পাঁচ-উইকেট ও খেলায় দুইবার দশ-উইকেট সহকারে ১৩.৯৮ গড়ে ৪৩ উইকেট দখল করেছিলেন। এ পর্যায়ে অন্য কেউ তাঁর তুলনায় এগিয়েছিলেন না। বেঙ্গল গভর্নর একাদশের সদস্যরূপে মেজর জেনারেল স্টুয়ার্ট দ্বাদশের বিপক্ষে অনবদ্য খেলেন। বিনু মানকড়, মুশতাক আলীলালা অমরনাথকে বিদেয় করে হ্যাট্রিক লাভের অধিকারী হন। তাসত্ত্বেও অনেকটা বিস্ময়করভাবেই ১৯৪৬ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে ভারত দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে বঞ্চিত হন। অথচ, তাঁর বোলিংয়ের ধরন অনেকাংশেই ইংরেজ পরিবেশের সাথে যুঁৎসই ছিল।

তবে, এ উপেক্ষার শিকার হলেও ঠিকই তাঁর খেলার ধারা অব্যাহত রেখেছিলেন। ভারত সফরে আসা ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশের বিপক্ষে খেলার জন্যে তাঁকে মনোনীত করা হয়। বেঙ্গল গভর্নর একাদশের সদস্যরূপে ইডেন গার্ডেন্সে সফরকারীদেরকে ২৫৫ রানে গুটিয়ে দেন। জর্জ ক্যারিও, অ্যালান রে, জন গডার্ড ও এভারটন উইকসের উইকেটসহ ৬/১০৫ পান। ফলশ্রুতিতে, নিজ দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলার জন্যে তাঁকে টেস্ট দলে যুক্ত করা হয়।

১৯৪৯ থেকে ১৯৫১ সময়কালে ভারতের পক্ষে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে নিজ দেশে জন গডার্ডের নেতৃত্বাধীন ক্যারিবীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৭ জানুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে মাদ্রাজের চিপকে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অংশ নেন। মধুসূদন রেগে’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। এরফলে, বিহার রাজ্যের প্রথম টেস্ট ক্রিকেটারের মর্যাদা লাভ করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগৃহীত ৫৮২ রানের মধ্যে জেফ্রি স্টলমেয়ারকে ১৬০ রানে কট বিহাইন্ডে বিদেয় করেন। পাশাপাশি পূর্ববর্তী পাঁচ ইনিংসে শতকধারী এভারটন উইকসকে ৯০ রানে উইকেট-রক্ষক প্রবীর সেনের কাছে বল পাঠিয়ে রান আউটে অংশ নেন। জবাবে ভারত দল ২৪৫ ও ১৪৪ রানে গুটিয়ে যায়। তিনি অপরাজিত ৩ ও ০ রান করেন। ইনিংস ও ১৯৩ রানে পরাজিত হয়ে স্বাগতিকরা পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে।

পরের টেস্টে তাঁকে দলের বাইরে রাখা হয়। সফররত কমনওয়েলথ একাদশের বিপক্ষে ৫-টেস্টের অনানুষ্ঠানিক সিরিজে খেলেন। পরবর্তীতে, আল্ফ গোভারের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে যান ও পুরোপুরি ভিন্ন বোলারে পরিণত হন। মুখার্জী লিখেছেন যে, তিনি পেস আনয়ণে অগ্রসর হন ও উভয় বাহু প্রসারিত করে দৌঁড়ে ছন্দ আনেন। শেষবারের মতো তাঁকে দলে খেলানো হয়।

১৯৫১-৫২ মৌসুমে নিজ দেশে নাইজেল হাওয়ার্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২ নভেম্বর, ১৯৫১ তারিখে দিল্লির কোটলায় অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলেন। বোলিং উদ্বোধনে নামলেও কোন উইকেট লাভে ব্যর্থ হন। তন্মধ্যে, দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর বোলিং বিশ্লেষণ ছিল ৩৫-১১-৪৫-০। ব্যাট হাতে নেয়ার সুযোগ পাননি। এরফলে, তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনে বোলিং গড় দাঁড়ায় ২০৫.০০। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের অষ্টম বাজে বোলিং গড়ের অধিকারী হন ও সুনীল গাভাস্কারের পর ভারতের দ্বিতীয় বাজে বোলিং গড়ের নজির গড়েন। শুভানুধ্যায়ীদের অধিকাংশেরই ধারনা যে, ধারনের তুলনায় অতিরিক্ত গতিবেগ আনয়ণের ফলে তিনি সাফল্য পাননি। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায় ও ০-০ ব্যবধানে সিরিজটি অগ্রসর হতে থাকে।

তাসত্ত্বেও, ১৯৫২ সালে বিজয় হাজারে’র নেতৃত্বাধীন ভারত দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, ঐ সফরে তাঁকে কোন টেস্টে খেলানো হয়নি। জঘন্যতম ফলাফল করে ভারত দল। ফ্রেড ট্রুম্যান ও অ্যালেক বেডসারের তোপে পরে টেস্টের পর টেস্ট হারতে থাকে। প্রস্তুতিমূলক খেলাগুলোয় অংশ নিয়ে মোটামুটি খেলেন। ১০ খেলায় থেকে ৩১ গড়ে ২৪ উইকেট দখল করেন। তন্মধ্যে, চেস্টারফিল্ডে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ৫/৩০ ও ৪/৮৩ পান।

শুরুরদিকের প্রতিশ্রুতিশীলতা পরবর্তীতে আর ধরে রাখতে পারেননি। তাসত্ত্বেও, মাঝে-মধ্যেই অসাধারণ খেলা উপহার দিতেন। ইডেন গার্ডেন্সে কমনওয়েলথ একাদশের বিপক্ষে খেলেন। সিম্পসন, রয় মার্শাল, কেন মিউলম্যান ও ডেস বারিকের উইকেট নিয়ে ৪/১১৭ পান। এর পরের খেলায় বিহারের পক্ষে খেলে ৬/৩৭ লাভ করেন।

১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে বাংলা দলের পক্ষে সর্বশেষ খেলায় অংশ নেন। মাদ্রাজে তামিলনাড়ুর বিপক্ষে রঞ্জি ট্রফির সেমি-ফাইনালে অসাধারণ খেলেন। মূলতঃ একাকী লড়াই করে যান। ৩/৫৩ ও ৬/৩৫ লাভ করলেও বাংলা দল পরাজিত হয়। পরের মৌসুমে বিহারে প্রত্যাবর্তন করেন। তাৎক্ষণিক সফলতা পান। কিনান স্টেডিয়ামে বাংলার বিপক্ষে ৪/৪৫ পান।

কলকাতার প্রিয় পুত্রের মর্যাদা পেলেও নিজেকে কখনো শীর্ষ পর্যায়ে মেলে ধরতে পারেননি। নতুন বল নিয়ে আক্রমণ শানতেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দারুণ সফল ছিলেন। সবমিলিয়ে ৫৮টি প্রথম-শ্রেণীর খেলা থেকে ২৫.১৪ গড়ে ২০০ উইকেট দখল করেছেন। তন্মধ্যে, ১৪বার পাঁচ-উইকেট ও দুইবার দশ উইকেট পান। তবে, অংশগ্রহণকৃত ২ টেস্ট থেকে মাত্র একটি উইকেট পেয়েছিলেন। ইডেন গার্ডেন্স ও কিনান স্টেডিয়ামে ১২৪ উইকেট দখল করেন।

১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে সফররত ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান একাদশের মুখোমুখি হন। বিহার গভর্নর একাদশের সদস্যরূপে অংশ নেন। জন হল্ট, জো সলোমন, উইলি রড্রিগুয়েজ, রয় গিলক্রিস্ট ও জাসউইক টেলরকে বিদেয় করেন। আর্থিক সহায়তার খেলা আয়োজনের ব্যবস্থা করা হলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। অবসর গ্রহণের পর দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টে কাজ করার পাশাপাশি ক্রিকেট কোচ হিসেবে যুক্ত ছিলেন।

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের দূর্গাপুরে মাত্র ৫৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    জিম ম্যাককোনন

    ২১ জুন, ১৯২২ তারিখে কো ডারহামের বার্নপফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী পেশাদার ক্রিকেটার ও ফুটবলার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৫০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৫০ থেকে ১৯৬১ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে গ্ল্যামারগনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তুলনামূলকভাবে বেশ দেরীতে ২৮…

  • | |

    সলিল আঙ্কোলা

    ১ মার্চ, ১৯৬৮ তারিখে মহারাষ্ট্রের শোলাপুর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। দীর্ঘকায় ও সুদর্শন চেহারার অধিকারী ফাস্ট বোলার। ১৯৮৮-৮৯ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • | |

    বিনু মানকড়

    ১২ এপ্রিল, ১৯১৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের জামনগর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতের ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা অল-রাউন্ডার ছিলেন। নিজের স্বর্ণালী সময়ে যে-কোন বিশ্ব একাদশে ঠাঁই পাবার অধিকারী ছিলেন। পেশাদারী পর্যায়ে…

  • |

    নেভিল টাফনেল

    ১৩ জুন, ১৮৮৭ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাবের সিমলায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে স্লো বোলিং করতে পারতেন। ১৯১০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। কার্লটন ও লরা টাফনেল দম্পতির চার পুত্র ও এক কন্যার মধ্যে তিনি দ্বিতীয় পুত্র সন্তান ছিলেন। পরবর্তীতে, ভ্রাতাদের সাথে তিনিও…

  • | | | |

    গ্রেগ চ্যাপেল

    ৭ আগস্ট, ১৯৪৮ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার আনলে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার, প্রশাসক ও কোচ। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম কিংবা লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নিজের সেরা দিনগুলোয় নান্দনিক ও দর্শনীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে উপস্থাপিত করেছেন। প্রতিপক্ষীয় খেলোয়াড়দের কাছে দুর্বোধ্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতাসুলভ ও…

  • | |

    এডি বার্লো

    ১২ আগস্ট, ১৯৪০ তারিখে ট্রান্সভালের প্রিটোরিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘ব্লান্টার’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। ডানহাতে ইনিংস উদ্বোধনে নামতেন ও ডানহাতে মিডিয়াম-পেস বোলিং করতেন। খেলাকালীন চশমা পরিধান করতেন। মাঠ ও মাঠের বাইরে খুব সহজেই…