৪ জুন, ১৯১৫ তারিখে ক্যান্টারবারির লিঙ্কনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রবাদপুরুষ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। অনেকগুলো কারণে নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। সৃজনশীল ও আক্রমণাত্মক ধাঁচের অধিকারী নিউজিল্যান্ডীয় ব্যাটসম্যান ছিলেন। অদ্যাবধি নিউজিল্যান্ড দলের অন্যতম সেরা অধিনায়ক হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করা হয়। নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে পিতৃতুল্য ছিলেন এবং বিশ্বরেকর্ডধারী বোলার ও নিউজিল্যান্ডের সেরা বোলার হিসেবে বিবেচিত রিচার্ড হ্যাডলি’র জনক ছিলেন। তাঁর অপর দুই সন্তান ব্যারি হ্যাডলি ও ডেল হ্যাডলি নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছিল। মার্টিন হ্যাডলি ক্যান্টারবারির পক্ষে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অংশ নেয়ার পর গল্ফের দিকে ঝুঁকে পড়ে। কনিষ্ঠ সন্তান ক্রিসের তেমন উল্লেখযোগ্য সাফল্য না থাকলেও ক্রিকেট খেলতো। উইজডেনে মন্তব্য করা হয় যে, ডেল ও রিচার্ডের ক্ষীপ্রগতির বোলিংয়ের কারণে মাঠে অপরাপর দূর্বল খেলোয়াড়দেরকে শুরুতেই বিদেয় নিতে হতো।

জনৈক কামারের সন্তান ছিলেন। আর্থিক মহামন্দার বছরগুলোয় রাগবি-ক্রিকেট দ্বৈত ক্রীড়ায় জড়িয়ে পড়েন। ক্রাইস্টচার্চ বয়েজ হাই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন নিজেকে খেলার উপযোগী করেন। সিবিএইচএসের তিন প্রাক্তন শিক্ষার্থী – কার্লি পেজ, বিল মেরিট ও ইয়ান কম্ব ১৯৩১ সালে ইংল্যান্ড গমনের পূর্বে বিদ্যালয়ের প্রাত্যহিক সমাবেশে যোগ দেন। তন্মধ্যে, কার্লি পেজ মন্তব্য করেছিলেন যে, এ বিদ্যালয় থেকে পরবর্তী ইংল্যান্ড সফরে খেলোয়াড়দের অংশ না নেয়ার কোন কারণ দেখি না। তাঁর এ মন্তব্য ওয়াল্টার হ্যাডলি’র বেশ মনে ধরে। এরই জের ধরে তাঁর ক্রিকেট খেলোয়াড়ী জীবনের উত্থান ঘটে। ১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ড গমন করেন ও ১৯৪৯ সালে দলের নেতৃত্বে থেকে দূর্দান্ত ইংরেজ গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করেন। ১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৫১-৫২ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি ও ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৩৭ থেকে ১৯৫১ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ১১ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৩৭ ও ১৯৪৯ সালে নিউজিল্যান্ডের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। তন্মধ্যে, ১৯৪৯ সালে নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কত্ব করেছিলেন তিনি। সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে টেস্ট সিরিজ ড্র করেন। ঐ সফরে তাঁর দল কেবলমাত্র একটি খেলায় পরাজয়বরণ করেছিল।

১৯৩৭ সালে কার্লি পেজের অধিনায়কত্বে কিউই দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ২৬ জুন, ১৯৩৭ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। মার্ভ ওয়ালেস, সনি মলোনি, এরিক টিন্ডিল, জ্যাক কাউয়ি ও মার্টিন ডনেলি’র সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৩৪ ও ৩ রান সংগ্রহ করেন। টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ২৪ জুলাই, ১৯৩৭ তারিখে ম্যানচেস্টারে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ৩৫ রানে পৌঁছানোকালে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। ৯৩ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১৩০ রানে জয় পেলে সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৪৫-৪৬ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলেন। ঐ মৌসুমে বিল ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন অজি দলের বিপক্ষে মুখোমুখি হন। ২৯ মার্চ, ১৯৪৬ তারিখে ওয়েলিংটনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটিতে খেলেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ৬ ও ৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। চার-দিন নিয়ে গড়া ঐ টেস্টটি দুই দিনে শেষ হয়ে যায়। ইনিংস ও ১৩৩ রানে পরাজিত হয় তাঁর দল।

১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়ালি হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২১ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৯৩ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১১৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

১৯৫০-৫১ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রেডি ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৭ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ৩১ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ৫০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

একই সফরের ২৪ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে খেলায় তিনি ১৫ ও ৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ৫ উইকেটে জয় পেলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

খেলোয়াড়ী জীবন শেষে দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সাথে জড়িয়ে ছিলেন। প্রশাসকের দায়িত্ব পালনসহ জাতীয় দল নির্বাচক, চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্ট হন। খেলোয়াড় থাকা অবস্থাতেই ১৯৫০ সালে নিউজিল্যান্ড কন্ট্রোল বোর্ডের সদস্য হন। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৫০ সালে রাণীর জন্মদিনের সম্মাননায় ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অফিসার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার হিসেবে মনোনীত হন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান এবং ১৯৮১ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হন। এরপর ১৯৭৮ সালে ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কমান্ডার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার  উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৯৩ সালে স্বীয় আত্মজীবনী ‘দি ইনিংস অব এ লাইফটাইম’ প্রকাশিত হয়। ১৯৯৫ সালে নিউজিল্যান্ড স্পোর্টস হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। লিলা মনরো নাম্নী এক রমণীর সাথে ১৯৪০ সালে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৩৭ সালে ইংল্যান্ড অভিমুখে জাহাজে অবস্থানকালীন দলীয়সঙ্গী মারভিন ওয়ালেসের মাধ্যমে তাঁর সাথে পরিচিত হয়েছিলেন। এ দম্পতির ব্যারি, মার্টিন, ডেল, রিচার্ড ও ক্রিস হ্যাডলি নামীয় পাঁচ পুত্র সন্তান ছিল। ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চের উইন্ডারমেয়ারে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ক্রাইস্টচার্চভিত্তিক প্রিন্সেস মার্গারেট হাসপাতালে ভর্তি হন। অস্ত্রোপচারের ছয় সপ্তাহ পর ৯১ বছর ১১৭ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে। মৃত্যুর চার বছর পর তদ্বীয় পত্নী লিলা মনরো পরলোকগমন করেন। ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড যৌথভাবে দুই বিখ্যাত ক্রিকেট পরিবারের সম্মানার্থে চ্যাপেল-হ্যাডলি ওডিআই সিরিজের নামকরণের কথা ঘোষণা করে।

Similar Posts

  • |

    গডফ্রে ইভান্স

    ১৮ আগস্ট, ১৯২০ তারিখে মিডলসেক্সের ফিঞ্চলে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন। এছাড়াও, ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি লেগ-ব্রেক বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষকের স্বীকৃতি লাভ করেছেন। ক্যান্টারবারিভিত্তিক কেন্ট কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ১৯৩৯ থেকে ১৯৬৭ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া…

  • |

    অশোক গন্দোত্রা

    ২৪ নভেম্বর, ১৯৪৮ তারিখে রিও ডি জেনেরিওতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৬০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিভাবান বামহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। পাঁচ ফুট পৌণে সাত ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। বামহাতি স্পিনার হিসেবে বলকে উভয়দিক দিয়েই বাঁক খাওয়াতে পারতেন। ১৯৬৫-৬৬…

  • | | | |

    অ্যালান বর্ডার

    ২৭ জুলাই, ১৯৫৫ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিমোর্ন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, কোচ ও প্রশাসক। মূলতঃ মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। এছাড়াও, সেকেন্ড স্লিপ কিংবা শর্ট-মিড উইকেট অঞ্চলে দূর্দান্ত ফিল্ডিং করতেন। অস্ট্রেলিয়া দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। আদর করে তাঁকে ‘ক্যাপ্টেন গ্রাম্পি’ নামে পরিচিতি ঘটানো হলেও তিনি ‘এবি’ ডাকনামে…

  • |

    জিম স্মিথ

    ২৫ আগস্ট, ১৯০৬ তারিখে উইল্টশায়ারের করশ্যাম এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন করতেন। ১৯৩০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘বিগ জিম স্মিথ’ ডাকনামে ভূষিত জিম স্মিথ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। ১৯২৬ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত উইল্টশায়ারের…

  • |

    ব্রেট লি

    ৮ নভেম্বর, ১৯৭৬ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের ওলংগং এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। ‘বিং’ ডাকনামে ভূষিত ব্রেট লি ৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৭ মিটার) উচ্চতার অধিকারী। সন্দেহাতীতভাবে অন্যতম গতিসম্পন্ন বোলার হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন। ১৯৯৪-৯৫…

  • |

    রাজু কুলকার্নি

    ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬২ তারিখে মহারাষ্ট্রের বোম্বে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। ১৯৮০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৮০-এর দশক থেকে ১৯৯০-এর দশকের সূচনাকাল পর্যন্ত খেলেন। ফাস্ট বোলার হিসেবে খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেন। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে বলে…