৩১ জানুয়ারি, ১৮৫৮ তারিখে ভিক্টোরিয়ার ব্রাইটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে খেলতেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ১৮৮০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন।
১৮৭৮-৭৯ মৌসুম থেকে ১৮৮৫-৮৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
১৮৮০ সালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৮৮০-এর দশকে অধিকাংশ খেলোয়াড়ই মাত্র এক টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দশ বছরে ২৭ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয় ও দূর্ভাগ্যজনকভাবে ১৩জন খেলোয়াড়ের অন্যতম হিসেবে মাত্র এক টেস্ট খেলার সুযোগ পান। ঐ বছর ডব্লিউএল মারডকের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দলের দ্বিতীয় সফরে ইংল্যান্ড গমন করেন। ৬ সেপ্টেম্বর, ১৮৮০ তারিখে ওভালে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। জর্জ বোনর, পার্সি ম্যাকডোনেল, জোই পালমার, জিম স্লাইট, টম গ্রুব ও জর্জ আলেকজান্ডারের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ডেমন এফ. আর. স্পফোর্থের অসুস্থতার কারণে খেলার সুযোগ পান। বল হাতে নিয়ে নিজের সেরা বোলিং করেন ৩/২৩ পেয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়া দল ফলো-অনের কবলে পড়লে শেষ উইকেট জুটিতে দলীয় অধিনায়ক ডব্লিউ. এল. মারডকের (১৫৩*) সাথে খেলে দলকে ইনিংস পরাজয় থেকে দূরে নিয়ে যান। প্রথম প্রকৃত টেস্ট খেলায় তিনি ৬ ও ৩৪ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ইংল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো নিজ দেশে টেস্ট জয়ের সন্ধান পায়। সিরিজের একমাত্র টেস্টে স্বাগতিকরা ৫ উইকেটে জয়লাভ করে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়। এ সফরে ছয়টি এগারো সদস্যের দলের বিপক্ষে অংশ নিয়ে ৭৫ রান ও ৬৯ রান খরচায় চার উইকেট পেয়েছিলেন।
পেশায় তিনি বিচারক ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ২৪ আগস্ট, ১৯৩৯ তারিখে ভিক্টোরিয়ার সেন্ট কিল্ডা এলাকায় ৮১ বছর ২০৫ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।
