১৭ নভেম্বর, ১৯২৩ তারিখে অকল্যান্ডের পন্সনবি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। দলে মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। দলকে নেতৃত্ব দিলেও কোন টেস্টে জয়ের সন্ধান পাননি।

অস্ট্রেলীয় তারকা ক্রিকেটার নীল হার্ভের সাথে তাঁকে তুলনা করা হতো। তিনি তাঁর সময়কালে সেরা বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কিংবা মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। সন্দেহাতীতভাবে তিনি তাঁর সময়কালে নিউজিল্যান্ডের সেরা ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পেয়েছিলেন। অপরিসীম প্রতিভার অধিকারী ছিলেন। দীর্ঘকায় গড়ন ছিল তাঁর। স্ট্রোকের বিস্তৃত ফুলঝুড়ি ছুটিয়েছেন। দৃষ্টিনন্দন শটগুলো খুব কমই দর্শকদের মনোরঞ্জনে নিরাশ করতো। কিঞ্চিৎ রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলেছিলেন মূলতঃ দূর্বলতর দলের সদস্যরূপে ভিত গড়নকল্পে। শারীরিক সুস্থতা বজায় রেখে তড়িৎ গতিতে ফিল্ডিং করতেন। সচরাচর শর্ট লেগ অঞ্চলে অবস্থান করতেন। একবার ইংল্যান্ড সফরে আড়াই হাজারের অধিক রান পেয়েছিলেন। এ সংগ্রহটি স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের পর দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। বিভিন্ন পিচে নিজেকে মানিয়ে নিতে তৎপরতা দেখিয়েছেন। পাকিস্তান সফরে রান সংগ্রহে হিমশিম খেলেও ভারতে বেশ সফল ছিলেন। সেখানে ব্যক্তিগত সেরা ২৩০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন। নিজ দেশের তুলনায় বিদেশের মাটিতেই অধিক সফল ছিলেন।

১৯৪১-৪২ মৌসুম থেকে ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া পর্যায়ের নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড, নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কিশোর অবস্থাতে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। পরবর্তীকালে শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নেন ও সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন নিউজিল্যান্ড সেনাবাহিনীতে যুক্ত ছিলেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমের গ্রীষ্মে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক ক্রিকেট অঙ্গনে নিজেকে চিত্রিত করেন। সফররত এমসিসি দলের বিপক্ষে ওতাগোর সদস্যরূপে ১৯৭ ও ১২৮ রানের ইনিংস খেলেন। এরপর থেকে পরবর্তী ২০ বছর অগণিত ব্যাটিং রেকর্ড ও উল্লেখযোগ্য অর্জনের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রাখেন। ১৯৫২-৫৩ মৌসুমে ওতাগোর সদস্যরূপে ক্যান্টারবারির বিপক্ষে ৩৮৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। অদ্যাবধি তাঁর এ সংগ্রহটি যে-কোন নিউজিল্যান্ডীয় ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ সংগ্রহ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। দুইবার সাড়ে তিনশত রানের সন্ধান পেয়েছেন।

১৯৪৭ থেকে ১৯৬৫ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৪২ টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমে নিজ দেশে ওয়ালি হ্যামন্ডের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২১ মার্চ, ১৯৪৭ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। ব্রুন স্মিথ, রয় স্কট, কলিন স্নেডেন, ডন টেলর ও টম বার্টের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় দলের একমাত্র ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫৮ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, একটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

১৯৪৯ সালে ওয়াল্টার হ্যাডলি’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড সফরে যান। ১১ জুন, ১৯৪৯ তারিখে লিডসে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সাথে নিজেকে জড়ান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৯ রানে পৌঁছানোকালে পূর্বেকার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানকে ছাঁপিয়ে যান। ৩২ ও ৮২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দীসহ ১/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়।

একই সফরের ২৩ জুলাই, ১৯৪৯ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৮২ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে টেস্টে নিজস্ব প্রথম শতক হাঁকান। খেলায় তিনি ৯ ও ১০১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ০/২২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৫০-৫১ মৌসুমে নিজ দেশে ফ্রেডি ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ১৭ মার্চ, ১৯৫১ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ১৯ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এ পর্যায়ে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১০১ রান অতিক্রম করেন। একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ১১৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে জিওফ রাবোনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। দুই দলের মধ্যকার প্রথম টেস্ট সিরিজে অংশ নেন। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ রানে পৌঁছানোকালে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। এর পূর্বে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে ও দলীয় ৯/২ থাকাকালে মাথায় গুরুতর চোঁট পেলে হাসপাতালে নীত হন। হাসপাতাল থেকে ফিরে ব্যাটিং কর্ম চালিয়ে যান ও জাতীয় বীরে পরিণত হন। দলের সংগ্রহ ৮১/৬ থাকাকালে পুণরায় মাঠে ফিরে আসেন। খেলায় তিনি ৮০* ও ১০ রান সংগ্রহসহ দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। সফরকারীরা ১৩২ রানে পরাভূত হলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে হ্যারি কেভের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে ভারত গমন করেন। ৬ জানুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখে মাদ্রাজে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৪০ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ব্যাট হাতে নিয়ে ৪৭ ও ৪০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ১০৯ রানে জয় পেলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে।

দৃশ্যতঃ ১৯৫৯ সালে সর্বশেষ টেস্ট খেললেও ১৯৬৫ সালে পুণরায় টেস্টে ফিরে আসেন। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুমে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে ভারত সফরে যান। ৫ মার্চ, ১৯৬৫ তারিখে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ১০৯ রানে পৌঁছানোকালে ২৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ১৫১* ও ৬ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/১৪ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হলে চার-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

কয়েকটি সফরে যাবার পর ২৭ মে, ১৯৬৫ তারিখে বার্মিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ১৯৬৫ সালে জন রিডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের অন্যতম সদস্যরূপে ইংল্যান্ড সফরে যান। ঘটনাবহুল এ টেস্টের প্রথম ইনিংসে এফএস ট্রুম্যানের বাউন্সারে ডান কানে আঘাত হানলে ব্যক্তিগত ৩ রান ও দলীয় ৭৫/৩ থাকাকালে মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এরপর, দলের সংগ্রহ ১১৬/৯ থাকাকালে পুণরায় মাঠে ফিরে আসলেও দুই মিনিটের বেশী অবস্থান করতে পারেননি। পুণরায় আঘাতের কবলে পড়লে মাঠ ছেড়ে চলে যান। খেলায় তিনি ৪ ও ৫৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। সফরকারীরা ৯ উইকেটে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণের পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অকল্যান্ড ক্রিকেট সোসাইটির সভাপতি মনোনীত হন। ১৯৪৮ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট অ্যালমেনাক বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান। ১৯৪৯ সালে নিউজিল্যান্ডের প্রথম বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে মনোনীত হন। ১৯৫০ সালে উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫০-৫৬ মৌসুমে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে মনোনীত হন। ১৯৮৫ সালের নববর্ষের সম্মাননায় ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মেম্বার অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার হিসেবে মনোনীত হন। ১৯৯০ সালে প্রবর্তিত নিউজিল্যান্ড স্পোর্টস হল অব ফেমের উদ্বোধনী তালিকায় তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফেব্রুয়ারি, ২০০০ সালে লিঙ্কনের বিআইএল ওভালের নাম পরিবর্তন করে তাঁর সম্মানার্থে বার্ট সাটক্লিফ ওভাল রাখা হয়।

২০ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে প্রায় এক দশক এম্ফাইজিমায় আক্রান্ত হয়ে অকল্যান্ডে ৭৭ বছর ১৫৪ দিন বয়সে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • | | |

    জেজে ফেরিস

    ২১ মে, ১৮৬৭ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনিতে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। বামহাতে বোলিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড – উভয় দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী জে. জে. ফেরিস শক্ত-মজবুত গড়নের কাঁধের কারণে বলে পেস আনয়ণ করতে…

  • | | |

    অনিল কুম্বলে

    ১৭ অক্টোবর, ১৯৭০ তারিখে কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। লেগ-ব্রেক গুগলি বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। ভারত দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। টেস্ট ও ওডিআইয়ে দলের সর্বাপেক্ষা কার্যকরী বোলার হিসেবে নিজেকে উপস্থাপিত করেছেন। দলীয় সঙ্গীদের আসা-যাবার পালায় থাকলেও প্রতিটি খেলাতেই অংশ নিয়েছেন। ভারতকে একাকী…

  • মিলিন্ডা সিরিবর্ধনা

    ৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে নাগোদায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিংয়ে পারদর্শী। শ্রীলঙ্কার পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। সচরাচর, শর্ট কভার অঞ্চলে ফিল্ডিং করেন। ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। মাঝারিসারির মারকুটে ব্যাটসম্যান ও কার্যকর বামহাতি স্পিনার। কালুতারা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। অল-রাউন্ডারের প্রাচুর্যতায় পরিপূর্ণ…

  • | |

    ফয়সাল ইকবাল

    ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৮১ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। রক্ষণাত্মক জ্ঞান নিয়ে সাহসী স্ট্রোক খেলোয়াড় হিসেবে ফয়সাল ইকবালের সুনাম ছিল। সামগ্রীকভাবে তিনি পাকিস্তানের মাঝারিসারিতে বেশ ভালো খেলা উপহার দিতেন। কিশোর পর্যায়ের…

  • | |

    প্রসপার উতসেয়া

    ২৬ মার্চ, ১৯৮৫ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। জিম্বাবুয়ে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। অফ-স্পিন বোলিং করতেন। সর্বদাই মিতব্যয়ী ধারালোমানের বোলিং সহযোগে অগ্রসর হতেন। হারারের শহরতলী এলাকা হাইফিল্ডের চিপেম্বেরে প্রাইমারি স্কুলে অধ্যয়নকালীন প্রথমবারের…

  • | | |

    টম মুডি

    ২ অক্টোবর, ১৯৬৫ তারিখে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও ধারাভাষ্যকার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। ৬ ফুট ৬ ইঞ্চি (১.৯৮ মিটার) উচ্চতার অধিকারী টম মুডি ‘মুনশাইন’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। স্বল্প দূরত্ব দৌড়ে এসে সাধারণমানের মিডিয়াম পেস বোলিং করেন। বলে সহজাত সুইং আনয়ণ…