২০ নভেম্বর, ১৯৭১ তারিখে অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটিংয়ে নামতেন। পাশাপাশি, সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ড দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।

ক্রিকেটে যুক্ত হবার পূর্বে অনেকগুলো ক্রীড়ায় সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। বাস্কেটবল ও রাগবি খেলায় দক্ষ ছিলেন। অকল্যান্ডে অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলে অংশ নিয়েছেন। অস্ট্রেলীয় ফুটবল লীগে মাউন্ট রস্কিল সেন্টসের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছিলেন। মাঠে আগ্রাসী দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে পরিচিতি লাভ করেন। কিন্তু, পিঠের আঘাতের কারণে তাঁর স্বাভাবিক ক্রীড়াশৈলী ব্যাহত হয়। এছাড়াও, বেশ কিছু বিতর্কের সাথেও নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন।

১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড, নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ওতাগোর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তন্মধ্যে, ১৯৯০-৯১ মৌসুম থেকে ১৯৯১-৯২ মৌসুমে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসে খেলার পর ওতাগোর পক্ষে ১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত খেলেন। পরবর্তীতে, ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে পুণরায় নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের প্রতিনিধিত্ব করেন।

১৯৯২ থেকে ২০০২ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট ৩২ টেস্ট ও ৮১টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে জিম্বাবুয়ে গমন করেন। ৩১ অক্টোবর, ১৯৯২ তারিখে বুলাওয়েতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওডিআইয়ে অংশ নেয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনের সূত্রপাত ঘটান। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে জিম্বাবুয়ে গমন করেন। এ সফরেই ৭ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি প্রথম ইনিংসে একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১১* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ১/৫৯ ও ১/১৯ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করানোসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ১৭৭ রানে পরাজিত হলে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

একই মৌসুমে মার্টিন ক্রো’র নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কা সফরে যান। ২৭ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে মোরাতুয়ায় অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, ১/৬২ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। পাশাপাশি, একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। রোশন মহানামা’র অসাধারণ শতক সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৯৩-৯৪ মৌসুমে নিজ দেশে প্রথমবারের মতো টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নেন। ঐ মৌসুমে মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ১৯ মার্চ, ১৯৯৪ তারিখে হ্যামিল্টনে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১০* ও ৯* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ১/৫৭ ও ০/২৫ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। অভিষেকধারী স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের অসাধারণ সাফল্যে খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ায়।

১৯৯৪ সালে কেন রাদারফোর্ডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড গমন করেন। পুরো সিরিজে অসাধারণত্বের পরিচয় দেন। এ সফরের ২ জুন, ১৯৯৪ তারিখে নটিংহামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার সন্ধান পান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ১১ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১৯ ও ৫ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ২/১৫৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। গ্রাহাম গুচের দ্বি-শতকের কল্যাণে সফরকারীরা ইনিংস ও ৯০ রানে পরাজিত হলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

লর্ডসে কর্নহিল টেস্টের দ্বিতীয় খেলায় দারুণ খেলেন। স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৬ রানসহ ৬/৭৬ ও ৫/৯৩ পান।

একই সফরের ৩০ জুন, ১৯৯৪ তারিখে ম্যানচেস্টারে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ১৯৫৮ সালের পর এ মাঠে সফরকারীদের প্রথম টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। ৪/১০৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ৮* ও ৬* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, ফিল ডিফ্রিটাসের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে স্বাগতিকরা ১-০ ব্যবধানে সিরিজে জয়লাভ করে। এ সিরিজে ১৭ উইকেট দখলসহ ৯৪ রান সংগ্রহ করে ফিলিপ ডিফ্রিটাসের সাথে যৌথভাবে ম্যান অব দ্য সিরিজের পুরস্কার পান।

এরফলে, মিডলসেক্স দলের পক্ষে খেলার জন্যে চুক্তিতে আবদ্ধ হন ও ১৯৯৫ সালে প্রথম খেলেন। একই মৌসুমে কাউন্টি ক্যাপ লাভের অধিকারী হন। দারুণ খেলা উপহার দিতে থাকেন। তবে, দ্বিতীয় মৌসুমে আঘাতের কবলে পড়েন। শারীরিক সুস্থতা আনয়ণে প্রাণান্তঃকর চেষ্টা চালান। তবে, ১৯৯৬ সাল শেষে তাঁর চুক্তি বাতিল করা হয়। ১৯৯৫ সালে ব্যাট ও বল হাতে সেরা খেলেন। চেমসফোর্ডে এসেক্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে নিয়ে ৬৭ রান তুলেন। লর্ডসে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে ৫/৩৫ লাভ করেন।

১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে কেন রাদারফোর্ডের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৫ নভেম্বর, ১৯৯৪ তারিখে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা দলের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৮ ও ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৮১ ও ০/১৭ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। সায়মন ডৌলের অল-রাউন্ড নৈপুণ্যে সফরকারীরা ১৩৭ রানে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে লি জার্মনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে ভারত গমন করেন। ১৮ অক্টোবর, ১৯৯৫ তারিখে ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ০ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ৩/৫০ ও ০/২৬ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। ঐ টেস্টে তাঁর দল ৮ উইকেটে পরাজয়বরণ করলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে নিজ দেশে মোহাম্মদ আজহারউদ্দীনের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দলের মুখোমুখি হন। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে ওয়েলিংটনের ব্যাসিন রিজার্ভে অনুষ্ঠিত সফররত ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগত সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন সর্বোচ্চ ৫৬ রান অতিক্রম করেন। খেলায় তিনি ১/৪৬ ও ৩/২০ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, ব্যাট হাতে নিয়ে ৮৯* ও ৪* রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, সায়মন ডৌলের অসাধারণ বোলিংশৈলীর কল্যাণে স্বাগতিকরা ৪ উইকেটে জয় পেলে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

২০০১-০২ মৌসুমে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের সাথে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ৮ নভেম্বর, ২০০১ তারিখে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ০/৯৩ বোলিং বিশ্লেষণ দাঁড় করান। এছাড়াও, একবার ব্যাট হাতে নিয়ে ২৫* রান সংগ্রহ করেছিলেন। ব্রেট লি’র প্রাণান্তঃকর অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

২০০২ সালে অবসর গ্রহণ করেন। এ পর্যায়ে ২৮.৪৮ গড়ে ৯৩ উইকেট এবং ২৩.৫১ গড়ে ৭২৯ রান তুলেন। অপরদিকে, একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে ৬৪ উইকেট ও ৬২৪ রান তুলেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ডিসেম্বর, ২০০২ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। এরপর, জুন, ২০০৫ সালে নিউজিল্যান্ড দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্য হন। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ডের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত বিচ ক্রিকেট দলের সদস্য ছিলেন। ট্রাম্ফ এন্ড ডিজেস্টার প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তিনি। নিউজিল্যান্ড মহিলা নেটবল খেলোয়াড় ও অধিনায়ক বারনিস মিনের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। এ দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে। তন্মধ্যে, এক কন্যার নাম রাখেন ইন্ডিয়া লিলি।

Similar Posts

  • | | |

    পিটার মুর

    ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১ তারিখে হারারেতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী। জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ড – উভয় দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। হারারের ক্রিকেটপ্রেমী পরিবারের সন্তান। কাকা, পিতা ও ভ্রাতা – প্রত্যেকেই ক্রিকেটের সাথে জড়িত ছিলেন। পিতা ও দুই ভ্রাতা প্রাদেশিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে কাকা…

  • |

    জোশ হাল

    ২০ আগস্ট, ২০০৪ তারিখে ক্যাম্ব্রিজশায়ারের হান্টিংডন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। বামহাতে ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে থাকেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ৬ ফুট ৭ ইঞ্চি দীর্ঘ উচ্চতার অধিকারী। স্ট্যামফোর্ড স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে লিচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এছাড়াও, লিচেস্টারশায়ার দ্বিতীয় একাদশ…

  • |

    ইয়াসির আলী, ১৯৮৫

    ১৫ অক্টোবর, ১৯৮৫ তারিখে পাঞ্জাবের হাজরো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ২০০০-এর দশকে পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পাকিস্তানের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলিং প্রতিভা ছিলেন। প্রচণ্ড দম নিয়ে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। আটকের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পক্ষে খেলাকালীন ইয়াসির আলী প্রথমবারের মতো…

  • | |

    জন শাটার

    ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৫৫ তারিখে সারের থর্নটন হিদ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী শৌখিন ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখতেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন তিনি। ১৮৮০-এর দশকে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ছিলেন। লিওনার্ড শাটারের সন্তান ছিলেন। উইনচেস্টারে অধ্যয়ন করেছেন। সেখানে অধ্যয়নকালে ১৮৭১ থেকে ১৮৭৩ সময়কালে ক্রিকেট একাদশের সদস্য…

  • | |

    কলিন গেস্ট

    ৭ অক্টোবর, ১৯৩৭ তারিখে ভিক্টোরিয়ার মেলবোর্নে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ফাস্ট বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৬০-এর দশকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী ও প্রশস্ত কাঁধ ছিল তাঁর। বেশ দূরত্ব নিয়ে বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন। নতুন বলে আউট-সুইং…

  • |

    সামি আসলাম

    ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। ব্যতিক্রমধর্মী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বামহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ২০১২-১৩ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ৩ অক্টোবর, ২০১২ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত হাবিব ব্যাংক…