| | |

রড মার্শ

৪ নভেম্বর, ১৯৪৭ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার আর্মাডেল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ক্রিকেটার, প্রশাসক ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে টেস্ট ও ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন।

‘আয়রন গ্লাভস’ কিংবা ‘বাক্কাস’ ডাকনামে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম থেকে ১৯৮৩-৮৪ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৭০ থেকে ১৯৮৪ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বমোট ৯৬ টেস্ট ও ৯২টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৭০-৭১ মৌসুমে নিজ দেশে রে ইলিংওয়ার্থের নেতৃত্বাধীন এমসিসি দলের মুখোমুখি হন। ২৭ নভেম্বর, ১৯৭০ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। টেরি জেনার ও অ্যালান থমসনের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। খেলায় তিনি ৯ ও ১৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে ছয়-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৭৩-৭৪ মৌসুমে নিজ দেশে বেভান কংডনের নেতৃত্বাধীন কিউই দলের মুখোমুখি হন। ২৬ জানুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে অ্যাডিলেডে অনুষ্ঠিত সফররত নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশ নেন। কয়েকটি ব্যক্তিগত সাফল্যের সাথে নিজেকে জড়ান। প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত পূর্বতন ১১৮ রানের সর্বোচ্চ রান অতিক্রম করেন। এ পর্যায়ে ২০ রানে পৌঁছানোকালে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। দলের একমাত্র ইনিংসে ১৩২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, চারটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেছিলেন। স্বাগতিকরা ইনিংস ও ৫৭ রানে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয় করে নেয়।

একই মৌসুমে ফিরতি সফরে ইয়ান চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১ মার্চ, ১৯৭৪ তারিখে ওয়েলিংটনে অনুষ্ঠিত সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন। খেলায় তিনি ২২ ও ১৭ রান সংগ্রহ করেছিলেন। খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি অমিমাংসিত অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৭৭ সালে গ্রেগ চ্যাপেলের নেতৃত্বাধীন অজি দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৬ জুন, ১৯৭৭ তারিখে লন্ডনের লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১ ও ৬* রান সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনের অবস্থান করে তিনটি ক্যাচ গ্লাভসবন্দীকরণে অগ্রসর হন। ঘটনাবহুল এ টেস্টে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে সিএম ওল্ডের ক্যাচ নিয়ে ৭০টি ডিসমিসালের নতুন রেকর্ড গড়েন। বব উলমারের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শন সত্ত্বেও খেলাটি ড্রয়ের দিকে গড়ালে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজটি ফলাফলবিহীন অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে নিজ দেশে বব উইলিসের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ দলের মুখোমুখি হন। ২৬ নভেম্বর, ১৯৮২ তারিখে ব্রিসবেনে অনুষ্ঠিত সফররত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন। ঘটনাবহুল এ টেস্টে প্রথম উইকেট-রক্ষক হিসেবে প্রথম ইনিংসে অ্যালান ল্যাম্বের ক্যাচ নিয়ে ৩০০তম ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। এক ইনিংসে ৬ ক্যাচ নিয়ে অ্যাশেজ রেকর্ড গড়েন। খেলায় তিনি ৯ ক্যাচ নিয়ে অপর অস্ট্রেলীয় জিআরএ ল্যাংলি’র সমকক্ষ হন ও অস্ট্রেলীয় রেকর্ড গড়েন। প্রসঙ্গতঃ এ টেস্টে অস্ট্রেলীয়রা ১৯ ক্যাচ নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে। পাশাপাশি, সর্বাধিক ৩৫ নো-বল করে পূর্বতন বিশ্বরেকর্ডের সমকক্ষ হয়। এছাড়াও, একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১১ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কেপলার ওয়েসেলসের অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের সুবাদে স্বাগতিকরা ৭ উইকেটে জয় পেলে পাঁচ-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে নিজ দেশে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের মুখোমুখি হন। ২ জানুয়ারি, ১৯৮৪ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত সফররত পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি একবার ব্যাটিংয়ে নেমে ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এছাড়াও, উইকেটের পিছনে অবস্থান করে ছয়টি ক্যাচ গ্লাভসবন্দী করেন। গ্রেগ চ্যাপেলের অসাধারণ শতকের কল্যাণে স্বাগতিকরা ১০ উইকেটে জয়লাভ করলে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে বিজয়ী হয়। পরবর্তীতে, এটিই তাঁর সর্বশেষ টেস্টে পরিণত হয়।

সব মিলিয়ে ১৪ বছর টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করে ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে গ্রেগ চ্যাপেল ও ডেনিস লিলি’র সাথে একযোগে অবসর গ্রহণ করেন। এ সময়ে ৩৫৫টি ডিসমিসাল ঘটিয়ে তৎকালীন বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। অবসর গ্রহণকালীন ৯৬ টেস্টে অংশ নিয়ে অস্ট্রেলীয় রেকর্ডের সাথে নিজেকে জড়ান।

শক্তসামর্থ্যের অধিকারী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাসুলভ দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে খেলায় অগ্রসর হতেন। অদ্যাবধি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে অন্যতম সেরা উইকেট-রক্ষক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে আসছেন। অসম্ভব মনোযোগ, ঝাঁপিয়ে পড়া ও দক্ষ গ্লাভস কর্মের সমন্বয়ের কারণে দর্শকসহ সতীর্থ খেলোয়াড়দের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে উপনীত হয়েছিলেন। তাঁর শীর্ষে পৌঁছানোর বিষয়টি খুব সহজে ঘটেনি। ধীরস্থিরভাবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটের শুরুতে মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এক পর্যায়ে জাতীয় দলে অভিজ্ঞ ব্রায়ান টাবেরকে পাশ কাটিয়ে খেলার সুযোগ পেলে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হন। কিন্তু, তারপর থেকে নিজের প্রতিভা যাচাইয়ে উৎড়ে যান।

১৯৮১ সালে ক্রিকেটে দূর্দান্ত ভূমিকা রাখায় এমবিই উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৮৫ সালে ক্রিকেট খেলায় অনবদ্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ স্পোর্ট অস্ট্রেলিয়া হল অব ফেমে অ্যাথলেট মেম্বাররূপে অন্তর্ভুক্ত হন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। অ্যাডিলেডভিত্তিক অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট একাডেমির প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের নবপ্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল একাডেমির পরিচালক হিসেবে মনোনীত হন। এক বছর পর ইংল্যান্ড দলের নির্বাচক হন। ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ কুক্ষিগত করার পর সেপ্টেম্বর, ২০০৫ সালে উভয় দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নেন। আগস্ট, ২০০৫ সালে সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় পরামর্শক হিসেবে মনোনীত হন। এছাড়াও, অবসর গ্রহণের পর নৈশভোজন পরবর্তী বক্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। ডিজে মার্শ, জেআই মার্শ ও পি মার্শ নামীয় সন্তানের জনক। ৪ মার্চ, ২০২২ তারিখে ৭৪ বছর ১২০ দিন বয়সে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

Similar Posts

  • |

    মোহাম্মদ শহীদ

    ১ নভেম্বর, ১৯৮৮ তারিখে নারায়ণগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছেন। ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করেন। ২০১০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বল্প কয়েকজন মিডিয়াম-পেসারের অন্যতম। ঘরোয়া ক্রিকেটে দ্রুত উত্থানের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েক বছরের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার জন্যে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত হন। দীর্ঘ দূরত্ব…

  • |

    কঙ্কি কনিংহাম

    ১০ মে, ১৮৯৭ তারিখে নাটালের ডারবানে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯২০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নাটাল, ট্রান্সভাল ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯২১-২২ মৌসুম থেকে ১৯৩০-৩১ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…

  • | |

    দীপক সোধন

    ১৮ অক্টোবর, ১৯২৮ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের গুজরাতের আহমেদাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও রেফারি ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, বামহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। ১৯৫০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান ছিলেন। নিজের সেরা দিনগুলোয় দৃষ্টিনন্দন স্ট্রোকের ফুলঝুঁড়ি ছোটাতেন। ১৯৪৬-৪৭ মৌসুম থেকে ১৯৬১-৬২ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন…

  • |

    নায়ল ও’ব্রায়ান

    ৮ নভেম্বর, ১৯৮১ তারিখে ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। উইকেট-রক্ষণের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিং করতেন। আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘প্যাডি’ ডাকনামে ভূষিত নিয়ল ও’ব্রায়ান ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী। ডাবলিনভিত্তিক মারিয়ান কলেজে অধ্যয়ন করেছেন। ২০০৪ থেকে ২০১৮ সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর…

  • |

    চামু চিভাভা

    ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ তারিখে মাসভিঙ্গো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রাখছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিচ্ছেন। ‘চাম’ ডাকনামে পরিচিতি পান। ২০০৩-০৪ মৌসুম থেকে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর জিম্বাবুয়ীয় ক্রিকেটে সেন্ট্রালস, ম্যাশোনাল্যান্ড, ম্যাশোনাল্যান্ড ঈগলসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও,…

  • | | |

    বেঙ্কটপতি রাজু

    ৯ জুলাই, ১৯৬৯ তারিখে অন্ধ্রপ্রদেশের আলামুরু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, রেফারি ও প্রশাসক। মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। বামহাতি স্পিনার ছিলেন। ‘মাসেলস’ ডাকনামে ভূষিত হয়েছিলেন। মনিন্দার সিংয়ের যোগ্য পূর্বসূরী ছিলেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ২০০৪-০৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী…