| |

বাবর আজম

১৫ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে পাঞ্জাবের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিং করেন। পাকিস্তানের পক্ষে সকল স্তরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, পাকিস্তান দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।

নিয়মানুবর্তীতা পালন ও উচ্চ দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে সুনাম কুড়িয়েছেন। টি২০ আন্তর্জাতিকে বিশ্বের শীর্ষ ব্যাটসম্যানের সম্মাননাপ্রাপ্ত হয়েছেন। পাকিস্তানের টি২০আই দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনসহ একদিনের আন্তর্জাতিক দলের সহঃঅধিনায়কত্ব করেছেন। আজম সিদ্দিকী’র সন্তান ছিলেন। ক্রিকেটপ্রেমী পরিবার থেকে এসেছেন। কামরান আকমল, উমর আকমল ও আদনান আকমল তাঁর চাচাতো ভাই। সাফির আজম নামীয় ভ্রাতা রয়েছে।

উজ্জ্বল খেলোয়াড়ী জীবনের পথে ধাবিত হন। দেশে-বিদেশের বিভিন্ন দলের পক্ষে খেলেন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ২০০৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপে অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সদস্যরূপে খেলার জগতে প্রবেশ করেন। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৩ বছর বয়সেই পেশাদারী পর্যায়ের ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর পাকিস্তানী ক্রিকেটে বালুচিস্তান, মধ্য পাঞ্জাব, ইসলামাবাদ, লাহোর, পাকিস্তান স্টেট ব্যাংক, সুই নর্দার্ন গ্যাস কর্পোরেশন ও জারাই তারাকিয়াতি ব্যাংক লিমিটেড এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সমারসেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও, ফয়সালাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডি, গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স, ইসলামাবাদ রিজিওন, ইসলামাবাদ ইউনাইটেড, করাচী কিংস, লাহোর ব্লুজ, লিওপার্ডস, রংপুর রাইডার্স, রাওয়ালপিন্ডি রামস ও সিডনি সিক্সার্সের পক্ষে খেলেছেন।

১৬ বছর বয়সে ২০১০ সালে জারাই তারাকিয়াতি ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। ১০ ডিসেম্বর, ২০১০ তারিখে শিয়ালকোটে অনুষ্ঠিত কায়েদ-ই-আজম ট্রফিতে পাকিস্তান ন্যাশনাল ব্যাংকের বিপক্ষে ঐ খেলায় ১১৪ বল মোকাবেলা করে ৫৪ রান তুলেন। খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। ২০১২ সালে ১৮ বছর বয়সে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে পাকিস্তান দলকে পরিচালনা করেন। ২১ খেলার ১৩টিতেই দলের বিজয়ে নেতৃত্ব দেন। ২০১০ ও ২০১২ সালের প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন।

মুলতানে অনুষ্ঠিত রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড কাপের লিস্ট-এ প্রতিযোগিতায় প্রথম অংশ নেন। অর্ধ-শতক হাঁকিয়ে দলের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। অন্যদিকে, ১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত ফয়সাল ব্যাংক টি২০ কাপে লাহোর ঈগলসের সদস্যরূপে হায়দ্রাবাদ হকসের বিপক্ষে টি২০ খেলায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন।

কামরান আকমল তাঁর সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, ‘আমরা তাঁকে পরামর্শ দিতে পারিনি। তিনি নিজস্ব গতিতে অগ্রসর হয়েছেন। তবে, আমরা তাঁকে সর্বোতভাবে সহায়তা করেছি।’ বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে নিয়মিতভাবে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের মর্যাদা লাভের পর জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন।

২০১৫ সাল থেকে পাকিস্তানের পক্ষে টেস্ট, ওডিআই ও টি২০আইয়ে অংশ নিচ্ছেন। ২১ বছর বয়সে ৩১ মে, ২০১৫ তারিখে লাহোরে তুলনামূলকভাবে দূর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে প্রথম খেলেন। নিরাপত্তার বিষয়ে হুমকি থাকায় পাকিস্তানের স্থবিরতাকালীন সময়ে তাঁর উত্থান ঘটে। ৫৪ রান তুললেও খেলাটি পরিত্যক্ত হয়েছিল। তবে, পরবর্তী খেলাগুলোয় ধারাবাহিক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে সচেষ্ট ছিলেন ও সীমিত-ওভারের ক্রিকেটে পাকিস্তান দলের অন্যতম বিশ্বস্ত ব্যাটসম্যানে পরিণত হন।

পরের বছর ২০১৬ সালে ২২ বছর বয়সে দিবা/রাত্রির টেস্টে অংশ নেয়ার মাধ্যমে দীর্ঘ সংস্করণের খেলায় প্রথম অংশ নেন। ইউনুস খান ও মিসবাহ-উল-হকের আঘাতপ্রাপ্তির কারণে এ সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৬-১৭ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে সংযুক্ত আরব আমিরাত গমন করেন। ১৩ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে দুবাইয়ে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। মোহাম্মদ নওয়াজের সাথে তাঁর একযোগে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ৬৯ রান তোলার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ২১ রান তুলেছিলেন। তবে, আজহার আলী’র মনোরম ত্রি-শতকের কল্যাণে পাকিস্তান দল ৫৬ রানে জয় পায় ও তিন-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০১৬-১৭ মৌসুমে মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ড সফরে যান। ১৭ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ৭ ও ২৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের অসাধারণ অল-রাউন্ড ক্রীড়া নৈপুণ্যের কল্যাণে স্বাগতিকরা ৮ উইকেটে জয়লাভ করলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে এগিয়ে যায়।

টেস্ট অভিষেকের পূর্বে একই দলের বিপক্ষে ওডিআইয়ে উপর্যুপরী তিনটি শতক হাঁকিয়েছিলেন। হ্যামিল্টনে ২২ বছর বয়সে তৃতীয় টেস্টে ৯০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে টেস্টে পাকিস্তানের সর্বাধিক রান সংগ্রাহক হন। তন্মধ্যে, পাঁচটি টেস্ট শতকের তিনটিই ২০১৯ সালে করেছিলেন। ২৪ বছর বয়সে ২০১৮ সালে ঊর্ধ্ব বাহুতে ফাঁটল ধরলে ক্রিকেট থেকে সাময়িক বিদেয় নেন।

একদিনের আন্তর্জাতিকে কয়েকটি অসাধারণ ইনিংস খেলার স্বীকৃতিস্বরূপ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি২০আইয়ে খেলার সুযোগ পান। ঐ খেলায় অপরাজিত ১৫ রান তুলে ছোট ধরনের লক্ষ্যমাত্রায় ৯ উইকেটের বিজয়ে অংশ নেন। এরপর, ক্রমাগত ব্যাট হাতে নিয়ে ক্ষুদ্রতর সংস্করণের খেলায় নিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিণত হন ও রানের ফুলঝুড়ি ছোটাতে থাকেন। ৫০-এর অল্প কম গড়ে রান তুলে বিশ্বের অন্যতম সেরা টি২০আই খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হতে থাকেন। ২০১৯ সালে ২৫ বছর বয়সে পাকিস্তানের টি২০আই দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত হন। একটি খেলায় নেতৃত্ব দিলেও পরাজয়বরণ করে তাঁর দল।

২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় ৪৬ রান তুলে পাকিস্তানের শিরোপা বিজয়ে ভূমিকা রাখেন। অনবদ্য ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনায় ক্রিকেটে বিশাল প্রভাব ফেলার পাশাপাশি বেশ কিছু রেকর্ডের সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। ২৩ বছর বয়সে ২০১৭ সালে ওডিআইয়ে ১০০০ রান সংগ্রহের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ২১ ইনিংস থেকে এ সংগ্রহের ফলে দ্বিতীয় দ্রুততম পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পান। প্রথম ২৫ ইনিংস থেকে সর্বাধিক ১৩০৬ রান তোলার রেকর্ড রয়েছে। এছাড়াও, ৪৫ ইনিংস থেকে ২০০০ রান সংগ্রহ করে জহির আব্বাস ও কেভিন পিটারসনের সাথে যৌথভাবে দ্রুততম ব্যাটসম্যানের গৌরব অর্জন করেন। এশীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ৬৮ ইনিংসের দ্রুততম ৩০০০ রান তুলেন। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে একটি দেশের বিপক্ষে একাধারে পাঁচটি শতক হাঁকিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বেছে নেন তিনি। ৩৩ ইনিংস থেকে ৭ শতক হাঁকিয়ে দ্রুততম ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পান। এছাড়াও, টি২০আই থেকে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শে সবচেয়ে কম ২৬টি ইনিংস খেলেছেন। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় ৪৭৪ রান তুলে এক বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশী রান সংগ্রহ করেছেন। ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৯ সালে পাকিস্তানের পক্ষে ওডিআইয়ে সর্বাধিক রান তুলেছেন।

২০২২ সালে অধিনায়কের দায়িত্বে থেকে পাকিস্তানী দলকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে যান। ১৬ জুলাই, ২০২২ তারিখে গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। অধিনায়কোচিত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হন। ১১৯ ও ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে, আব্দুল্লাহ শফিকের দূর্দান্ত শতকের কল্যাণে ৩৪২ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে তাঁর দল। এরফলে, দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে তাঁর দল চার উইকেটে জয় পায় ও ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে যায়।

২০২৩-২৪ মৌসুমে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের সদস্যরূপে ডাউন আন্ডার সফরে যান। ৩ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে সিডনিতে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। ২৬ ও ২৩ রান সংগ্রহ করেন। এছাড়াও, দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করেছিলেন। তবে, আমির জামালের অল-রাউন্ড ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন স্বত্ত্বেও সফরকারীরা ৮ উইকেটে পরাজয়বরণ করে ও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ খোঁয়ায়।

২০২৪-২৫ মৌসুমে শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানী দলের অন্যতম সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান। ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে অনুষ্ঠিত স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৩ রানে পৌঁছানোকালে টেস্টে ৪০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। খেলায় তিনি ৪ ও ৫০ রান সংগ্রহসহ একটি ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এইডেন মার্করামের অসাধারণ ব্যাটিংশৈলীর কল্যাণে সফরকারীরা ২ উইকেটে পরাজিত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে নিজ দেশে এইডেন মার্করামের নেতৃত্বাধীন স্প্রিংবকের মুখোমুখি হন। ১২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে লাহোরে অনুষ্ঠিত সফররত দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের উদ্বোধনী টেস্টে অংশ নেন। খেলায় তিনি ১৬ ও ৫০ রান সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, নোমান আলী’র দূর্দান্ত বোলিং কৃতিত্বে সফরকারীরা ৯৩ পরাভূত হলে দুই-টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজে পিছিয়ে পড়ে।

অসাধারণ ক্রিকেটার হিসেবে পাকিস্তানী ক্রিকেটে ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। ২৩ বছর বয়সে ২০১৭ সালে আইসিসি বিশ্ব একাদশের সদস্যরূপে মনোনীত হন। এছাড়াও, পিসিবি কর্তৃক বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে একাধারে দুইবার নামাঙ্কিত হন। ২০১৭ সালে ওডিআই ও ২০১৮ সালে টি২০আইয়ে পুরস্কার লাভ করেন।

বিশেষ প্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ক্লাবের পক্ষে খেলেছেন। পাকিস্তান সুপার লীগে করাচী কিংসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সমারসেটের সাথে খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। এর পূর্বে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে সিলেট সিক্সার্স ও রংপুর রাইডার্সের পক্ষে খেলেছেন। এছাড়াও, ২০১৬ সালের পাকিস্তান সুপার লীগের আসরে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড ও ২০১৭ সালের ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লীগে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের সদস্য ছিলেন। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে দুইবার নিজ শহরের দল মধ্য পাঞ্জাবের নেতৃত্বে থেকে ন্যাশনাল টি২০ চ্যাম্পিয়নশীপে অংশ নিয়েছিলেন।

Similar Posts

  • | | |

    গুরুশরণ সিং

    ৮ মার্চ, ১৯৬৩ তারিখে পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার, কোচ ও রেফারি। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৯০-এর দশকে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান রাখেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লি ও পাঞ্জাবের পক্ষে খেলেছেন। দীর্ঘদিন পাঞ্জাব দলের অন্যতম ব্যাটিং…

  • | |

    সৈয়দ আবিদ আলী

    ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৪১ তারিখে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। পাশাপাশি অসাধারণ ফিল্ডিং করতেন ও নিচেরসারিতে ব্যস্ততার সাথে উইকেটের প্রান্ত বদলে অগ্রসর হতেন। ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। পিঠ সোজা রেখে, খাড়া গোঁফ নিয়ে সুনিয়ন্ত্রিত…

  • | |

    হারুন রশীদ

    ২৫ মার্চ, ১৯৫৩ তারিখে সিন্ধু প্রদেশের করাচীতে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ‘জেকিল ও হাইড’ ধরনের ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। নিষ্প্রাণ পিচে অন্যতম দর্শনীয় ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ১৯৭১-৭২ মৌসুম থেকে ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম পর্যন্ত…

  • | |

    গ্যারি কার্স্টেন

    ২৩ নভেম্বর, ১৯৬৭ তারিখে কেপ প্রভিন্সের কেপটাউনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও কোচ। মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। বামহাতে ব্যাটিংশৈলী প্রদর্শনে অগ্রসর হতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ-ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। রন্ডেবশ বিএইচএসে অধ্যয়ন করেন। এরপর, কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনো করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৮৭-৮৮ মৌসুম…

  • |

    হেনরি ফোলি

    ২৮ জানুয়ারি, ১৯০৬ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখেছিলেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ে নামতেন। ১৯৩০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ওয়েলিংটন কলেজে ভর্তি হন। এরপর, ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে কলায় স্নাতক ও বাণিজ্যে স্নাতকধারী হন। ১৯২৭-২৮ মৌসুম থেকে ১৯৩২-৩৩ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছিলেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয়…

  • | |

    গর্ডন লেগাট

    ২৭ মে, ১৯২৬ তারিখে ওয়েলিংটনে জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার ও প্রশাসক ছিলেন। মূলতঃ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে ভূমিকা রেখে গেছেন। ডানহাতে ব্যাটিং করতেন। ১৯৫০-এর দশকে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন। ১৯৪৪-৪৫ মৌসুম থেকে ১৯৫৫-৫৬ মৌসুম পর্যন্ত সময়কালে প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন। ঘরোয়া আসরের প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ক্যান্টারবারির প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। ১৯৫২-৫৩…